ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে নিরাপত্তার স্বার্থে যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতের পেট্রাপোল ও বাংলাদেশের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সোমবার সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। তবে বেনাপোল বন্দর ও কাস্টমস অফিস খোলা রয়েছে। দুই দেশের পাসপোর্টযাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে আবারো চলবে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম। পেট্রাপোল বন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী জানান, সোমবার পঞ্চম দফায় পশ্চিম বঙ্গের হাওড়া ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় মোট ৪৯টি আসনে বিধানসভা নির্বাচনে ভোট হচ্ছে। যার মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় রয়েছে ৩৩টি আসন। আর হাওড়ায় রয়েছে ১৬টি। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নির্দেশে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়াও পেট্রাপোলে কর্মরত বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ভোটার। তারা ভোট দিতে যাওয়ায় কোন কাজ করা হবে সম্ভব হবে না। বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও বেনাপোল কাস্টমস হাউজ ও বন্দর খোলা আছে। দুই দেশের পাসপোর্ট যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যাত্রীদের পার হতে হচ্ছে পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে। সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্য ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে বলেও তিনি জানান। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের কাস্টমস বিষয়ক সম্পাদক নাসির উদ্দিন জানান, আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকায় বেনাপোল বন্দরে শতাধিক ট্রাক রফতানি পণ্য নিয়ে ভারতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। ভারতের পেট্রাপোল বন্দরেও একইভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য শত শত ভারতীয় ট্রাক অপেক্ষা করছে। এতে মাছ, ফল, পান, পেয়াজসহ পচনশীল বিভিন্ন পণ্য নষ্ট হয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের কোটি টাকার লোকশান গুণতে হতে পারে। জামাল হোসেন/এআরএ/পিআর