ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

তারেক রহমানের জনসভায় শাবিপ্রবি ভিসি-প্রোভিসি, ছবি-ভিডিও ভাইরাল

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক | শাবিপ্রবি | প্রকাশিত: ০৬:২৩ পিএম, ২২ জানুয়ারি ২০২৬

সিলেটে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনি জনসভায় অংশ নিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য (ভিসি) ও উপ-উপাচার্য (প্রোভিসি) ও রেজিস্ট্রার। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ প্রশাসনিক পদে থেকে সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একাংশ।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নগরীর সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দীন চৌধুরী এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিমকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। সঙ্গে রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদিরও ছিলেন। তবে জনসভার মঞ্চে স্থান না পাওয়ায় জনতার কাতারে বসতে দেখা গেছে তাদের।

তারেক রহমানের জনসভায় শাবিপ্রবি ভিসি-প্রোভিসি, ছবি-ভিডিও ভাইরাল

বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৮৭-এ উল্লেখ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা তার রাজনৈতিক মতামত প্রচার করতে পারবেন না এবং নিজেকে কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত করতে পারবেন না। তবে তা অমান্য করে বাঁশের ব্যারিকেড ডিঙিয়ে মঞ্চে বসতে দেখা যায় তাদেরকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

এ আর আনিস নামের এক শিক্ষার্থী ফেসবুকে লিখেছেন, ‘নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার হরণ করে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা অবস্থায় রাজনৈতিক দলের প্রচারণায় যাওয়া কতটা যৌক্তিক?’

এস এইচ প্রান্ত নামের আরেকজন লিখেছেন, ‘সাস্টের প্রতিটি স্টুডেন্টের ফ্যামিলি কার্ড নিশ্চিত করতে ভিসি, প্রোভিসি স্যারের দৌড়ঝাঁপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখাই ভালো। শাকসু না হোক, উই হ্যাভ আ ফ্যামিলি কার্ড।’

তারেক রহমানের জনসভায় শাবিপ্রবি ভিসি-প্রোভিসি, ছবি-ভিডিও ভাইরাল

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রোভিসিসহ যারা তারেক রহমানের নির্বাচনি জনসভায় গেছেন, এ ধরনের কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনবিরোধী। আমি মনে করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনবিরোধী কাজে সরাসরি জড়িত থাকার কারণে তারা নৈতিকভাবে পরাজিত হয়েছেন। আমরা শিক্ষার্থীরা এ কর্মকাণ্ডের কারণে বাকরুদ্ধ।’

এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম বলেন, ‘এর আগেও আমাকে বহু প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনও আমি পড়েছি। আমরা সেখানে নির্বাচনি প্রচারণায় যাইনি। আমরা গিয়েছি শ্রোতা হিসেবে।’

রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদির বলেন, ‌‘আমরা সবারই দাওয়াতেই অংশ নেওয়ার চেষ্টা করি। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে দলমত নির্বিশেষে সবার সহযোগিতার প্রয়োজন আছে।’

বিষয়টি নিয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে মোবাইলফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

এসএইচ জাহিদ/এসআর/জেআইএম