ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষিকা হত্যার বিচার দাবিতে প্রশাসন ভবনে তালা, অবরুদ্ধ উপাচার্য

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক | ইবি | প্রকাশিত: ১০:০৬ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবিতে প্রশাসন ভবন ও প্রধান ফটকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেছে বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তাব্যক্তিদের অবরুদ্ধ করেন।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রশাসন ভবন প্রাঙ্গণে সমবেত হয় শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকেও তালা দেয় তারা।

এসময় শিক্ষার্থীরা রুনা হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত বিচার, রুনার পরিবারের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও একজন সদস্যের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন একটি হল রুনার নামে নামকরণ এবং বিভাগের চলমান সকল সংকট নিরসনের দাবি জানান। পরে দুপুর পৌনে ২টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ ও ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদ রানা আন্দোলনস্থলে এসে মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানালে ও শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে তালা খুলে দেয় শিক্ষার্থীরা।

ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফজলু এখনো কথা বলতে না পারায় আমরা তার জবানবন্দি নিতে পারিনি। এছাড়া মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে ধরতে আমরা একাধিকবার বিভিন্ন লোকেশনে অভিযান চালিয়েছি। কিন্তু তাদের পাওয়া যায়নি, ফোনগুলোও বন্ধ। তারা যাতে দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য আমরা প্রতিটি ইমিগ্রেশনে মামলার রেফারেন্সসহ চিঠি দিয়েছি। পাশাপাশি র‌্যাবের মাধ্যমেও তাদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি দ্রুতই তাদের রিপোর্ট দেবেন। বিভাগের শিক্ষক সংকট নিরসনের জন্য খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে ও রুনার নামে একটি হলের নামকরণের প্রস্তাব আমি নিজেই করবো। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হত্যার পরে আইনানুগভাবে যতটুকুই প্রাপ্য তার জন্য শিক্ষিকার পরিবার আবেদন করেছে। আমরা তা পূরণ করবো এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা পর্যায়ে নিয়োগ দেওয়া হলে রুনার স্বামীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।


ইরফান উল্লাহ/কেএইচকে