ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

‘বিশ্ববিদ্যালয় কি তোদের বাপের’

প্রকাশিত: ০২:৫৭ পিএম, ১০ মার্চ ২০১৭

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ‘সাবাশ বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যের বেদিতে জুতা পায়ে দেখা গেছে বহিরাগত তরুণদের। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত কয়েকজন সাংবাদিক তাদের ভাস্কর্যের বেদে থেকে নেমে যেতে অনুরোধ করলে ওই তরুণেরা ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন।

তারা সাংবাদিকদের বলে, ‘সাবাশ বাংলাদেশ আমরাই বানিয়েছি, এখানে যা ইচ্ছা তাই করব। এখানে কীভাবে উঠতে হবে সেটা আমরা ভালো জানি। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবাশ বাংলাদেশ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

এক পর্যায়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা করতে শুরু করে বহিরাগতরা। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে বহিরাগতদের একজন ‘তুই’ সম্বোধন করে সাংবাদিকদের বলে, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কি তোদের বাপের!’ এসময় বহিরাগতদের আরেকজন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে পরিচয় আছে দাবি করে সাংবাদিকদের ‘দেখে নিবো’ বলে হুমকি দেয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন সাংবাদিক বলেন, শুক্রবার সকালে ‘সাবাশ বাংলাদেশ’ চত্বরে গিয়ে দেখি কয়েকজন বহিরাগত ভাস্কর্যের বেদিতে জুতাসহ বসে আছে। তাদেরকে বেদি থেকে নামার জন্য অনুরোধ করলে তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা করতে শুরু করে দেয়। তারা মতিহার থানা আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দীনের নাম নিয়ে আমাদের ‘দেখে নেয়ার’ হুমকি দেয়।

sabash

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ওই বহিরাগতদের মধ্যে একজনের নাম মেজবাহ, সে রাজশাহী মহানগরের সাধুর মোড় এলাকার বাসিন্দা। অন্য জনের নাম জিসান, সে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর এলাকার বাসিন্দা ও কলেজ শিক্ষার্থী।

সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায়ই এ ধরনের ঘটনা ঘটতে দেখা যাচ্ছে। ‘সাবাশ বাংলাদেশ’, শহীদ মিনার, শহীদ ড. জোহার মাজার প্রাঙ্গণ, বধ্যভূমি, নির্মিতব্য শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি ফলকে প্রায়ই অনেককে জুতা পায়ে ওঠতে দেখা যায়। এদের অধিকাংশই বহিরাগত শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় যুবক।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মজিবুল হক আজাদ খান জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রতিনিধিত্বকরী স্থাপনাগুলোর যেন অবমাননা না হয় সে বিষয়ে রাবি প্রশাসন সব সময় সজাগ। তবে বর্তমান সময়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে রাবি প্রশাসনের সম্পর্ক ভালো না। তাই স্থানীয় বহিরাগতরা এরকম ঝামেলা তৈরির চেষ্টা করছে।

রাশেদ রিন্টু/এমএএস/এমএস