ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

ইবিতে পুনঃপরীক্ষা : শীর্ষ ১০ জনের ৫ জনই দ্বিতীয়বার ফেল

প্রকাশিত: ০৬:১৫ এএম, ১৭ মার্চ ২০১৭

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত এফ ইউনিটের পুনঃভর্তি পরীক্ষায় প্রথমবারের মেধাতালিকার ১০ জনের পাঁচজনই ফেল করেছে।

এছাড়াও যে পাঁচ জন ন্যূনতম নম্বর পেয়ে পাস করেছে তাদের মধ্যে চারজনই এবারের মেধা তালিকা কিংবা অপেক্ষমাণ তালিকায় ঠাঁই পায়নি। তবে প্রথমবারের ষষ্ঠ স্থানে থাকা ৩৯২ রোল এবার অপেক্ষমাণ তালিকায় ৪৪ নম্বরে রয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ওই ইউনিটের পুনঃভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় ওই ইউনিটে আবেদকারী ২ হাজার ৯৪৪ জন ভর্তিচ্ছুর মধ্যে ১ হাজার ১১৬ জন শিক্ষার্থী পুনঃভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ৬৭৮ জন পাস করেছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টার দিকে ফলাফল প্রকাশিত হলে প্রথমবার এবং পুনঃপরীক্ষার রেজাল্ট বিশ্লেষণ করলে উঠে আসে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য।

প্রথমবারের মেধা তালিকার শীর্ষে থাকা ১৩৪০ রোলধারী এবার হয়েছে ৪১৫তম। এছাড়া প্রথমবারের মেধাতলিকার দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ২৮২ রোলের অবস্থান এবার ৪৭৮। প্রথমবারের তৃতীয় অবস্থানে থাকা ৫৩ এবার ৫৮৩, ষষ্ঠ অবস্থানে থাকা ৩৯২ এবার ১৪৪, অষ্টম অবস্থানে থাকা ১৪৪ রোলের এবার ২৫৭ অবস্থানে ঠাঁই মিলেছে।

এদিকে প্রথমবারের পঞ্চম অবস্থানে থাকা ৬৫৯ রোল এবারের পরীক্ষায় ৮০ নম্বরের মধ্যে মাত্র ১১ পেয়েছে। সপ্তম অবস্থানে থাকা ৭০ রোল এবার ৮০ নম্বরের মধ্যে মাত্র ৬ পয়েছে। এছাড়া চতুর্থ অবস্থানে থাকা ২৭৫৭, নবম অবস্থানে থাকা ২১৯২ এবং দশম স্থান অধিকারী ২৪২৯ রোল এবার ফেল করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা গত ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠানের পর থেকেই পশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ আমলে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

কমিটি গত ৪মার্চ তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলে ৬ মার্চ অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

এছাড়া ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভর্তি বাতিল হওয়া ১০০ শিক্ষার্থীর পক্ষে ৮৮ জন উচ্চ আদালতে রিট করে। রিটের আদেশে পুনঃভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠানে কোনো বাধা না থাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার পুনঃভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন উর রশিদ আসকারী সাংবাদিকদের বলেন, দুই ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে বেশ কিছু পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়েছে। গতবারের প্রথম দশজনের কেউই এবার চান্স পায়নি। পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করা এবং দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা নেয়া এবং প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসে মাইলস্টোন তৈরি করেছে।

ফেরদাউসুর রহমান সোহাগ/এফএ/এমএস