গঠিত হয়নি ইবি প্রক্টরের নিয়োগ বাণিজ্যের তদন্ত কমিটি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য সংক্রান্ত অডিও ফাঁসের ঘটনায় প্রতিবেদন প্রকাশের পাঁচদিনেও গঠিত হয়নি তদন্ত কমিটি।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর ‘ইবিতে ফের নিয়োগ বাণিজ্যের অডিও ফাঁস’ শিরোণামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত কমিটি না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের একাধিক সিনিয়র শিক্ষক।
সম্প্রতি দুর্নীতি নিয়োগ বাণিজ্য, ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাতসহ বেশ কিছু ইস্যুতে তাৎক্ষণিক তদন্ত কমিটি গঠন করে বর্তমান প্রশাসন।
পরে যথাযথ সময়ে প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়। এসব ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে ব্যাপক প্রশংসাও কুড়িয়েছে বর্তমান প্রশাসন।
কিন্তু বর্তমান প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমানের নিয়োগ বাণিজ্যের অডিও ফাঁসের পাঁচদিন অতিবাহিত হলেও কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেক শিক্ষক।
বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক হারুন উর রশিদ আসকারী দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন। যেখানে দুর্নীতি সেখানে প্রতিহত এ নীতি অবলম্বন করে অগ্রসর হতে থাকেন। কিন্তু প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান উপাচার্যের আস্থাভাজন হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করছে বলে মনে করেন বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান শিক্ষক সমিতির একাধিক কার্যনির্বাহী সদস্য।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক হারুন উর রশিদ আসকারী জাগো নিউজকে বলেন, আমার কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। তবে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিষয়টি অবহিত হয়েছি। কিন্তু এখনও অডিও ক্লিপটি শোনা হয়নি। তবে এর প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। প্রতিবেদনের আলোকে ইতোমধ্যে শিক্ষক সমিতির সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। প্রশাসনের অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ প্রশাসনের কাছে নির্দোষ কোনো ব্যক্তি শাস্তি পাবে না এবং কোন অপরাধীও ছাড় পাবে না।
ফেরদাউসুর রহমান সোহাগ/এএম/আরআইপি