কোপানোর ঘটনায় জবি শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার
বহিষ্কৃত জবি শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম শান্ত
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী মিঠুন বাড়ৈকে কোপানোর ঘটনায় উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ১১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম শান্তকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বিকেলে বহিষ্কারের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন সহকারী প্রক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল।
তিনি বলেন, কোপানোর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শান্তকে বহিষ্কারের ব্যাপারে ভিসি স্যার বলেছেন। তাই আমরা তাকে সাময়িক বহিষ্কার করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে জবি মিঠুন বাড়ৈ অগ্রণী ব্যাংকে লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা জমা দিতে যান। এসময় লাইন ভঙ্গ করে তৌহিদুল ইসলাম শান্ত। এতে মিঠুন বাড়ৈ বাধা দেন। এসময় শান্তর সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। বাগবিতাণ্ডার এক পর্যায়ে মিঠুন ও শান্তর মাঝে হাতাহাতি হয়। কিছুক্ষণ পর শান্তও পাল্টা আঘাত হিসেবে সঙ্গে থাকা খুর দিয়ে মিঠুনকে কুপ দেন। এতে মিঠুনের ডান বাহুতে জখম হয়। কুপিয়ে পেছনের গেট দিয়ে শান্ত পালিয়ে যান। উপস্থিত শিক্ষার্থীরা প্রক্টরিয়াল বডিকে জানালে সহকারী প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে মিঠুনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে মিঠুন বাড়ৈই চিকিৎসা নিয়েছেন। বুধবার শান্তর বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করে মিঠুন বাড়ৈই।
কোপানোর ঘটনার পর তৌহিদুল ইসলাম শান্ত নিজেকে জবি ছাত্রলীগ সভাপতি তরিকুল ইসলামের কর্মী বলে পরিচয় দিলেও তরিকুল ইসলাম তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
এসএম/জেডএ/আইআই