ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

পাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংঘর্ষ

জেলা প্রতিনিধি | পাবনা | প্রকাশিত: ০৯:৪৬ এএম, ২৮ অক্টোবর ২০১৭

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পাবিপ্রবি সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার পাবিপ্রবির ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক (সিকিউরিটি) হাসিবুর রহমানের সঙ্গে মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. আব্দুল আলিমের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। ওই ঘটনায় একে অপরকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে লাঞ্ছিত করেছে বলে ড. আব্দুল আলিম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। অপরদিকে ড. আব্দুল আলিম হাসিবুর রহমানকে অপমান করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন । এ ঘটনা জানাজানি হলে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে।

এরই জের ধরে শনিবার সকালে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ভিসি, প্রো-ভিসির কার্যালয়, রেজিস্ট্রার অফিস, সিকিউরিটি অফিসসহ বিভিন্ন কক্ষ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে সাত জনকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

pabna

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ- বিশ্বরিদালয়ের প্রক্টর এবং শিক্ষকদের উপস্থিতিতেই বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও বহিরাগতরা তাদের ওপর হামলা চালায় এবং ব্যাপক ভাঙচুর করে।

পাবিপ্রবি কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিষদের সভাপতি জি এম সামসাদ ফোখরুল বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের উষ্কানিতে ছাত্ররা আমাদের ঙপর হামলা চালিয়েছে এবং ব্যাপক ভাঙচুর করেছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।

এদিকে ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনির্দিষ্টকারের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছেন। ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা কাজে যোগদান করবেন না বলে জানিয়েছেন।

pabna

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আওয়াল কবির জয় বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে ছুটে যাই এবং পুলিশের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।

পাবনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রজ্জাক বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে প্রক্টর, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেছি।

এ কে জামান/আরএআর/জেআইএম