ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

ফেরত যেতে হবে আই.ই.আর’র সেই ১৬ শিক্ষককে

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক | চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় | প্রকাশিত: ০৫:১৬ পিএম, ৩১ জানুয়ারি ২০১৮

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবরেটরি কলেজের ১৬ শিক্ষককে ইনস্টিটিউট অব অ্যাডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের (আই.ই.আর) শিক্ষক হিসেবে নিয়োগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন ছিল না বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে ন্যূনতম যোগ্যতা না থাকায় তাদের ফের ওই কলেজে ফেরত পাঠানোর সুপারিশ এবং তা বাস্তবায়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠি দিয়েছে ইউজিসি।

এ নিয়োগের প্রায় চার বছর পর বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন একটি পরিদর্শন কমিটি গঠন করে। ওই কমিটি সরেজমিনে আই.ই.আর পরিদর্শন করে চলতি মাসে তিন দফা সুপারিশসহ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রতিবেদন পাঠিয়েছে।

জানা যায়, ২০১২ সালে যাত্রা শুরু করা চবির ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন, রিসার্চের (আই.ই.আর) শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল চবি ল্যাবরেটরি কলেজের এসব শিক্ষককে। বিশ্ববিদ্যালয় কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের অধিভুক্ত এ ইনস্টিটিউটের শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি ওই অনুষদের নিয়ম অনুযায়ী হবার কথা থাকলেও সেই নিয়ম মানা হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা না থাকার পরও চবি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের কলেজ সেকশনের ১৬ জন শিক্ষককে আই.ই.আর’টির শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। যা বৈধ ছিল না। কারণ ইউজিসির থেকে এ ধরনের কোনো অনুমোদন নেয়া হয়নি। এমনকি ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠার সময়ে এমন শিক্ষক নিয়োগে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত প্রদানও করেনি সংস্থাটি। যা প্রতিবেদনেও উল্লেখ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুমোদন ব্যতিরেকে ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক হওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতা না থাকায় কলেজের কর্মরত শিক্ষকদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে অংগীভূতকরণের কোনো সুযোগ নেই। তাই ওই সময়ে নিয়োগ দেয়া কলেজ শিক্ষকদের চবি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে অংগীভূত করা যেতে পারে। এছাড়া পি.আর.এলে যাওয়া দুই শিক্ষকের পেনশন বিশ্ববিদ্যালয় ফান্ড থেকে প্রদানের সুযোগ নেই। পাশাপাশি আই.ই.আর এর অনুমোদিত অর্গানোগ্রাম না থাকায় জনবল নিয়োগ সম্ভব হচ্ছে না। তাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানোগ্রামে আই.ই.আর’কে দ্রুত অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

এদিকে ইউজিসির এ সুপারিশমালা ও নির্দেশনা বাস্তবায়নে সোমবার এক জরুরি সভায় মিলিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স কমিটি। বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ওই সভায় তিনটি সুপারিশ গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে আই.ই.আর শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মাচারীদের ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের বেতন ভাতা পরিশোধ করা, সদ্য অবসরপ্রাপ্ত দুই শিক্ষকের পেনশন আপাতত স্থগিত এবং আর্থিক অনিয়ম তদন্তে পূর্বে গঠিত কমিটিতে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রফেসর আবু মুহাম্মদ আতিকুর রহমান সদস্য হিসেবে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, ইউজিসির নির্দেশনা অনুসারে প্রক্রিয়া চলছে। অনুমোদনহীন একটা খাতে এতদিন ব্যয় হয়েছে। এখানে আমাদের কি দুর্বলতা আছে, নাকি অনিয়ম আছে তা তদন্তে কমিটি করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আবদুল্লাহ রাকীব/এমএএস/এমএস

আরও পড়ুন