ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

ইবির নিজস্ব পরিবহনে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পৌঁছে দিতে স্মারকলিপি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক | ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় | প্রকাশিত: ০৮:০৬ পিএম, ০৭ জুলাই ২০২১

লকডাউনে আটকেপড়া শিক্ষার্থীদের ঈদুল আযহার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহনে নিরাপদে বিভাগীয় শহরে পৌঁছানোর দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র মৈত্রী।

বুধবার (৭ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শেখ আবদুস সালাম বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করেন শাখা ছাত্র মৈত্রীর নেতৃবৃন্দ।

এর আগে গত ১৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় হল বন্ধ রেখে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। সংবাদ পেয়ে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী ও কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহের বিভিন্ন মেস ও বাসাবাড়িতে ঈদুল ফিতরের পরপরই অবস্থান শুরু করে। তবে হঠাৎ কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

বিদ্যমান লকডাউনে দূরপাল্লার সকল গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা নিরাপদে নিজ বাড়িতে পৌঁছে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে না পারার আশঙ্কা করছেন। এছাড়া কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলায় করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় এসব শিক্ষার্থীরা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন। কয়েকজন শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে করোনায় আক্রান্তও হয়েছেন।

jagonews24

এসব অবস্থা বিবেচনায় এনে দ্রুততম সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহনে শিক্ষার্থীদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর ব্যবস্থা গ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন ছাত্র মৈত্রী।

ইবি শাখা ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি আব্দুর রউফ বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে প্রশাসন বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছি। প্রশাসন বিষয়টি পজিটিভলি নিয়েছেন। আমরা আশা করি প্রশাসন শিক্ষার্থীদের পক্ষেই কোনো সিদ্ধান্ত নিবেন।’

বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহণ প্রশাসক অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘পরিবহন প্রশাসকের বাস পাঠানোর এখতিয়ার কুষ্টিয়া থেকে ঝিনাইদহ পর্যন্ত। এর বাইরে পাঠাতে হলে ভিসির অনুমতি লাগে। তিনি অনুমোদন দিলেই সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শেখ আবদুস সালাম এ সম্পর্কে বলেন, ‘কোথায়, কেমন শিক্ষার্থী আছে সেটার পরিসংখ্যান নিতে প্রক্টরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পরিসংখ্যানের উপর ভিত্তি করে পরিকল্পনা হাতে নেয়া হবে।’

রায়হান মাহবুব/আরএইচ/এমএস