ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মহাসড়কে ট্যাংকলরি থেকে তেল চুরির ভিডিও ভাইরাল

জেলা প্রতিনিধি | যশোর | প্রকাশিত: ১০:৪৭ এএম, ২৬ মার্চ ২০২৬

যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কে তেলের ট্যাংকলরি থেকে দিনে-দুপুরে তেল চুরির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। ২ মিনিট ২২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, লরির ওপর থেকে বালতি ভরে তেল নামিয়ে পাশের দোকানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং বিনিময়ে লরিতে পানি সদৃশ তরল ঢোকানো হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের যশোর সদরের সাতমাইল এলাকায়। প্রথমে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের সাংবাদিক আরিফ মোল্লার মোবাইলে ধরা পড়ে চুরির এই দৃশ্য। এরপর তার ফেসবুকে পোস্ট করার পর ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়।

ভিডিওতে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা-ট ০-০০০৩ রেজিস্ট্রেশন নম্বরের একটি জ্বালানি তেলের ট্যাংকলরি মহাসড়কের পাশে দাঁড়ানো। লরির ওপরে থাকা এক ব্যক্তি বালতি দিয়ে তেল নামাচ্ছেন এবং নিচে দাঁড়িয়ে থাকা আলী হোসেন নামের এক দোকানি সেই তেল নিয়ে নিজের দোকানে যাচ্ছেন। সাংবাদিকের প্রশ্নের মুখে দোকানি নিজের পরিচয় দিলেও লরির ওপর থাকা ব্যক্তি নাম বলতে অস্বীকার করেন।

ভিডিওটি ধারণকারী সাংবাদিক আরিফ মোল্লা জানান, খুলনার ডিপো থেকে চুয়াডাঙ্গা যাওয়ার পথে চালক ও সহকারীরা নিয়মিত তেল চুরি করে বিক্রি করেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে সাতমাইল এলাকায় অবস্থান নিয়ে এই দৃশ্য ধারণ করি। যশোর থেকে কালীগঞ্জ পর্যন্ত ৩-৪টি স্পটে তারা এভাবে তেল চুরি করেন।

তিনি বলেন, গাড়ির ওপরে থাকা ব্যক্তির নাম জিজ্ঞেস করলেও তিনি নাম বলেননি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দোকানির নাম আলী হোসেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কের পাশে দোকান বানিয়ে সড়কে চলাচলরত গাড়ির চোরাই তেল ক্রয় বিক্রয় করে আসছিলেন।

তেল নামানোর ওই ইউনিয়নের (হৈবতপুর) ইউপি সদস্য আহম্মদ আলী বলেন, দোকানটি মহাসড়কের ফাঁকা মাঠের ভেতরে। বিভিন্ন গাড়ির চোরাই তেল ড্রাইভার হেলপারের যোগসাজশে তারা ক্রয় করে। পরে খুচরা দামে সেই তেল বিভিন্ন গাড়িতে বিক্রি করে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাফফাত আরা সাঈদ বলেন, অবৈধভাবে তেল চুরি করার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি আমি দেখেছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে দোকান মালিক আলী হোসেনের নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

মিলন রহমান/কেএইচকে/এমএস