ভিডিও EN
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

রঙ আর ধানের তুষ মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে ভেজাল মসলা

প্রকাশিত: ০২:১৬ পিএম, ১২ জুন ২০১৬

রঙ, আটা ও ধানের তুষ মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ভেজাল গুঁড়া মসলা। আর চিড়া-মুড়িতে ব্যবহার করা হচ্ছে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক রাসয়নিক।

রোববার বিকেলে নগরীর মসলা ও মুড়ি কারখানায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ধরা পড়ে খাদ্যের নামে বিষ তৈরির এই প্রক্রিয়া। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিষ্ঠান দুইটিকে ৫০ হাজার করে এক লাখ টাকা জরিমানা করে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, এ ধরনের ভেজাল খাদ্যদ্রব্য তৈরির কারণে দেশে ক্যান্সার ও আলসারসহ লিভারজনিত রোগির সংখ্যা বাড়ছে। এসব ভেজাল মসলায় ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি বলে জানান তারা।

জেলা প্রশাসনের সহেযাগীতায় সিলেট নগরীর নবাব রোড় ও শিবগঞ্জ এলাকায় এ ভেজাল বিরোধী অভিযান চালায় র‌্যাব-৯। বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী ও র‌্যাব-৯ এর উপ-পরিচালক (গণমাধ্যম) মেজর ফখরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

Sylhet

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, নগরীর নবাব রোড এলাকায় বেবী গুঁড়া মসলা নামের একটি প্রতিষ্ঠান রঙ আর ধানের তুষ (গুঁড়া), আটা মিশিয়ে হলুদ, মরিচ ও ধনিয়া তৈরি করার সময় হাতেনাতে তাদের ধরে ফেলে র‌্যাব। এ প্রতিষ্ঠানের সত্বাধিকারী দারা মিয়াকে না পেয়ে র্যাব তার কর্মচারী খায়রুল ইসলামকে আটক করে নিয়ে যায়।

এসময় বেবী গুঁড়া মসলাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তবে জরিমানা আদায় করতে পারেনি র‌্যাব। জরিমানা না পাওয়ায় কর্মচারীকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। অভিযানে উদ্ধারকৃত ভেজাল মসলা এবং রঙ ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে গাভীয়ার খালে ফেলে নষ্ট করা হয়।

অন্যদিকে, সিলেট নগরীর শিবগঞ্জ এলাকার বৈশাখী ৮৫নং বাসায় দীর্ঘদিন থেকে ‘করুণা ফুডস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ মিশিয়ে চিড়া ও মুড়ি তৈরি করে আসছে। এমনকি তাদের কারখানাও অপরিচ্ছন্ন ছিল। এ কারণে সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক প্রবীর চন্দ্র পালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী জাগো নিউজকে জানান, সিলেট নগরীর প্রতিটি মসলার কারাখানায় ভেজাল রয়েছে। নগরীর ভেজাল বিরোধী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ছামির মাহমুদ/এআরএ/পিআর