ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বাহুবলে দু’গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত অর্ধশতাধিক

প্রকাশিত: ১০:৩৯ এএম, ২২ জুন ২০১৬

হবিগঞ্জের বাহুবলে কাঁঠাল বিক্রিকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে নারীসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন। বুধবার দুপুর একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল, বাহুবল ও চুনারুঘাট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বাহুবলের রাজেন্দ্রপুর গ্রামের কবির মিয়া ওরফে কালা মিয়া সাটিয়াজুরী বাজারে কাঁঠাল বিক্রি করতে যায়। কাঁঠাল বিক্রির দর কষাকষি নিয়ে একই উপজেলার বারআউলিয়া গ্রামের ওয়াহিদ মিয়ার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। বাজারে থাকা ব্যবসায়ীরা তাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সমাধান করে।

এতে খুশি হতে না পেরে বারআউলিয়া গ্রামের ওয়াহিদ মিয়া বিষয়টি গ্রামের লোকজনকে জানান। তারা মঙ্গলবার রাত ৯টায় লাঠিসোটা নিয়ে সাটিয়াজুরী বাজারে এসে রাজেন্দ্রপুর গ্রামের লোকদের খোঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা সাটিয়াজুরী বাজারে মধু মিয়ার চা স্টল, আসাদ স্টোর, আতর আলীর পানের দোকান, ইদ্রিস মিয়ার ফার্মেসি, আহাদ মিয়ার দোকান, ওয়াহিদ মিয়ার মুদি দোকানে হামলা ভাঙচুর চালায়।

এমনকি তারা রাজেন্দ্রপুর গ্রামের মসজিদে তারাবিহর নামাজরত মুসল্লিদের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় উভয় পক্ষের মাঝে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে বাহুবল থানা পুলিশ ও স্থানীয় চেয়ারম্যানদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে রাতেই সালিশ বৈঠক বসানো হয়।

বারআউলিয়া গ্রামবাসীর শর্তের মুখে ভেস্তে যায় শালিস বৈঠকও। এক পর্যায়ে সালিশ বৈঠকেও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনার জের ধরে আবার বুধবার দুপুর ১২ টায় বারআউলিয়া গ্রামবাসী মসজিদের মাইকে প্রচার করে চাইরা, দাসপাড়া গ্রামবাসীকে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ সাটিয়াজুরী বাজার রেললাইনে এসে জড়ো হয়।

এ সময় তারা রাজেন্দ্রপুর গ্রামবাসীকে ডাকাডাকি শুরু করলে সাটিয়াজুরী ও রাজেন্দ্রপুর গ্রামবাসীও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষের প্রস্তুতি নেয়। এক পক্ষ আরেক পক্ষের উপর ঝাপিয়ে পড়লে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারীসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হন। খবর পেয়ে বাহুবল মডেল থানা পুলিশ ও চুনারুঘাট থানার দাঙ্গা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বাহুবল মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মনির হোসেন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

এখলাছুর রহমান খোকন/এসএস/এমএস

আরও পড়ুন