ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম কমেছে, বেড়েছে মাছের

জেলা প্রতিনিধি | ময়মনসিংহ | প্রকাশিত: ০৬:১৮ পিএম, ০৮ জানুয়ারি ২০২৬

ময়মনসিংহে সপ্তাহের ব্যবধানে বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। তবে বেড়েছে মাছের দাম। এমন অবস্থায় সবজির দামে ক্রেতারা স্বস্তি পেলেও মাছের দামে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে শহরের মেছুয়া বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, সবজির দাম কেজিতে কমেছে ১৫ টাকা পর্যন্ত। বিপরীতে মাছের দাম কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত সপ্তাহ মটরশুঁটি ১১০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও এখন ৯০ থেকে ৯৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গোল বেগুন ৪০ টাকা থেকে কমে ৩০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, দেশি শিম ৩০ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৪০ টাকা, দেশি গাজর ৩০ টাকা, শসা ৪০ টাকা, চিকন বেগুন ৩০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ২৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা কেজিতে, কাঁচকলা ৩০ টাকা হালি ও লাউ ৫০ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

একই বাজারে কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে মাছের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে মৃগেল ২৬০-৩৩০ টাকা থেকে বেড়ে ২৮০-৩৫০, পাঙাশ ১৬০-১৯০ টাকা থেকে বেড়ে ১৭০-২০০, পাবদা ৩৯০-৫২০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০০-৫৩০, কৈ ২৪০-৩৪০ টাকা থেকে বেড়ে ২৫০-৩৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রুই ৩২০-৪২০, কালবাউশ ৩০০-৩৭০ টাকা, কাতলা ৩৪০-৪৪০ টাকা, শিং ৩৪০-৬৪০, টাকি ৪১০-৫৪০, সিলভার কার্প ২১০-২৮০, তেলাপিয়া ২০০-২৮০, ট্যাংরা ৫১০-৭৮০ ও শোল ৫৯০-৬৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম কমেছে, বেড়েছে মাছের

স্থিতিশীল অবস্থায় ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা, সোনালি কক মুরগি ২৯০ টাকা, সাদা কক মুরগি ২৭০ টাকা, খাসির মাংস এক হাজার ১৫০ টাকা ও গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হচ্ছে।

সবজি কিনছিলেন ফাহিম হাসান। এসময় কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, বাজারে শীতকালীন সবজির প্রচুর সরবরাহ রয়েছে। এতে দামও কমে গেছে। তবে দাম আরও কমে আসলে, ক্রেতারা আরও স্বস্তিতে সবজি কিনতে পারবেন।

মাছের দামে ক্ষোভ প্রকাশ করে আজহারুল ইসলাম নামের একজন ক্রেতা বলেন, বাজারের ছোট-বড় মাছের প্রচুর সরবরাহ রয়েছে। অথচ সরবরাহ কমের অজুহাত দেখিয়ে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। বাজার মনিটরিং জোরদার না থাকায় বিক্রেতারা ইচ্ছামত দামে বিক্রি করতে পারছেন।

সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম কমেছে, বেড়েছে মাছের

সবজি বিক্রেতা জাহিদ মিয়া বলেন, প্রচুর সবজি উৎপাদন হওয়ার কারণে কৃষকরা পাইকারদের কাছে আগের চেয়ে কম দামে বিক্রি করছেন। এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। পাইকাররাও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে কিছুটা কম দামে বিক্রি করছেন। ফলে ক্রেতা পর্যায়ে দাম কমায় ক্রেতারা স্বস্তিতে সবজি কিনতে পারছেন।

মাছ বিক্রেতা আকরাম হোসেন বলেন, মাছের দাম বাড়ানোর পেছনে আমাদের কারসাজি নেই। আড়তদাররা খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বাড়তি দামে বিক্রি করায় খুচরা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়েছে।

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুস ছালাম বলেন, সুযোগ বুঝে অনেক বিক্রেতা মনমতো দামে বিক্রি করতে চেষ্টা করেন। এজন্য বাজারে আমাদের নজরদারি রয়েছে। এছাড়া সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া দাম বাড়ানোর কোনো প্রমাণ মিললে অথবা ক্রেতাকে ঠকালে সেই ভোক্তা চাইলে আমাদের কাছে অভিযোগ করতে পারেন।

কামরুজ্জামান মিন্টু/আরএইচ/জেআইএম