ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

খাগড়াছড়িতে ৬৮ কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী চান প্রার্থী

জেলা প্রতিনিধি | খাগড়াছড়ি | প্রকাশিত: ০৭:১০ পিএম, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

খাগড়াছড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ ৬৮ ভোট কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন চার প্রার্থী। বুধবার (৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া (ধানের শীষ), গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী দীনময় রোয়াজা (ট্রাক), জাতীয় পার্টির প্রার্থী মিথিলা রোয়াজা (লাঙল) এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী মো. নূর ইসলাম (আপেল)।

লিখিত বক্তব্যে প্রার্থীরা জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যমতে খাগড়াছড়ি আসনের ১২১টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৬৮টি কেন্দ্রকে ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ (রেড মার্ক)’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, পাহাড়ি অঞ্চলের সশস্ত্র সংগঠনগুলো ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে ভোট দিতে চাপ সৃষ্টি করছে। বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের প্রচারণায় বাধা এবং কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করা হয়।

খাগড়াছড়িতে ৬৮ কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী চান প্রার্থী

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, অতীতের নির্বাচনগুলোতে সশস্ত্র সংগঠনগুলো অস্ত্রের মুখে কেন্দ্র দখল ও ভোটারদের জিম্মি করে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতেও নির্বাচনকে অস্থিতিশীল করতে ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেন তারা। বিশেষ করে খাগড়াছড়ি সদর, মহালছড়ি, পানছড়ি, লক্ষ্মীছড়ি, দীঘিনালা ও রামগড়ের দুর্গম এলাকায় ভোটারদের শারীরিক নির্যাতন ও আর্থিক জরিমানার ভয় দেখানো হচ্ছে।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রার্থীরা ছয় দফা দাবি তুলে ধরেন। এরমধ্যে রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত বিজিবি ও পুলিশ মোতায়েন, ভোটের অন্তত তিন দিন আগে থেকে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রদান, দুর্গম এলাকায় নিয়মিত টহল জোরদার, নির্বাচনের আগের রাত থেকে কেন্দ্রভিত্তিক নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, গুজব রোধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা।

প্রার্থীরা জানান, তাদের উদ্বেগ ও দাবিগুলো লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের শেষে তারা আশা প্রকাশ করেন, যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে পাহাড়ি-বাঙালি সব জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে খাগড়াছড়িতে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

প্রবীর সুমন/আরএইচ/জেআইএম