ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মাদারীপুরে কুমার নদের সেতুর কাজে ধীরগতি, ভোগান্তিতে স্থানীয়রা

জেলা প্রতিনিধি | মাদারীপুর | প্রকাশিত: ১০:১৩ এএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মাদারীপুর সদর উপজেলার চরমুগরিয়া এলাকার কুমার নদে ৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুর কাজে ধীরগতি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পালিয়ে যাওয়ার পর কাজে তেমন অগ্রগতি নেই সেতু নির্মাণ কাজে। ফেলে ডিঙি নৌকা দিয়ে নদ পার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের। এতে স্থানীয়রা ভোগান্তিতে পড়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০২২ সালের ১৬ আগস্ট মাদারীপুরের চরমুগরিয়া এলাকার কুমার নদের উপর একটি সেতু নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। কাজটি শুরু করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের টিএস রোড এলাকার হাসান এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০২৫ সালের জুন মাসে কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আর কোনো খোঁজ নেই। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজের মেয়ার আরও এক বছর বাড়ায়। ২০২৬ সালের জুন মাসে কাজের মেয়াদ শেষ হবার কথা। তবুও নির্মাণ কাজের তেমন একটা অগ্রগতি নেই।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, এই সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে মাদারীপুর সদর উপজেলার চরমুগরিয়া এলাকার সঙ্গে শিরখাড়া, দুখখালী, বাহাদুরপুর ও পেয়ারপুর ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ সরাসরি যাতায়াত করতে পারবেন। এতে করে সড়ক পথে দুরত্ব কমবে প্রায় দেড় কিলোমিটার। এদিকে স্থানীয়রা তাদের প্রতিদিনের নানা কাজের জন্য শহরে আসতে কুমার নদ দিয়ে ছোট্ট ডিঙ্গি নৌকায় পারাপার হচ্ছে। এতে করে তাদের ভোগান্তি বেড়েছে।

মাদারীপুরে কুমার নদের সেতুর কাজে ধীরগতি, ভোগান্তিতে স্থানীয়রা

স্থানীয় সামিয়া আক্তার বলেন, আমি শহরে থাকি। কিন্তু আমার মা পেয়ারপুরে থাকেন। তাই প্রায় সময় চরমুগরিয়া দিয়ে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যাই। সেতুটি নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় প্রায় দেড় কিলোমিটার পথ বেশি যাতায়াত করতে হচ্ছে। তাই সেতুর কাজ দ্রুত শেষ হবার দাবি জানাই।

স্থানীয় শিক্ষার্থী হিরামনি বলেন, কুমার নদ পার হয়ে আমার বিদ্যালয়ে যেতে হয়। রাস্তা ঘুরে হেঁটে বিদ্যালয়ে যেতে অনেক সময় লাগে। তাই ডিঙি নৌকা দিয়ে পার হই। তাই দ্রুত সেতুটির কাজ শেষ হলে আমাদের ভোগান্তি আর থাকবে না।

মাদারীপুরের এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী বাদল চন্দ্র কীর্ত্তনীয়া বলেন, চুক্তিবদ্ধ ঠিকাদার পলাতক আছে। নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় আরও এক বছর কাজের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সাঙ্গে কথা চলছে। তাই আশা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।

আয়শা সিদ্দিকা আকাশী/এনএইচআর/জেআইএম