ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মৌলভীবাজার

৫ বছরে কমেছে ৭০০ একর কৃষিজমি

জেলা প্রতিনিধি | মৌলভীবাজার | প্রকাশিত: ০৪:৩৬ পিএম, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

কৃষিজমি ভরাট করে নির্মাণ করা হচ্ছে স্থাপনা। একটি-দুটি নয়, ভবনসহ অসংখ্য স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে এসব জমিতে। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার-ভানুগাছ সড়কের পাশে এমন চিত্র দেখা গেছে। এতে গত পাঁচ বছরে জেলায় প্রায় ৭০০ একর কৃষিজমি কমেছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, জেলার সাতটি উপজেলাসহ হাকালুকি, হাইল, কাউয়াদিঘী হাওরের বিভিন্ন এলাকায় কৃষিজমি ভরাটের মচ্ছব চলছে। কয়েক বছর আগেও যেসব জমিতে তিন ফসল হতো, সেগুলো এখন ভরাট হয়ে গেছে। এসব জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে বসতঘর, দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এতে করে একদিকে কমছে ফসিল জমি, অন্যদিকে ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের।

অনেকে জমির ওপরের স্তরের মাটি কেটে বিক্রি করছেন বিভিন্ন ইটভাটার মালিকের কাছে। এতে করে জমির উর্বরতা শক্তি যেমন কমছে, অন্যদিকে এই মাটি দিয়ে কৃষিজমিতে ভিটা ভরাট করা হচ্ছে। ফলে দুদিক থেকেই ফসল উৎপাদনে ক্ষতি হচ্ছে।

ভূমি ব্যবহার ও সেচ পরিসংখ্যান জরিপ সূত্রে জানা গেছে, মৌলভীবাজারে ২০১৯ সালে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৭০০ একর কৃষিজমি কমেছে।

৫ বছরে কমেছে ৭০০ একর কৃষিজমি

কৃষিজমিতে নানা স্থাপনা গড়ে তোলা ব্যক্তিরা জানান, নিজেদের প্রয়োজনেই তারা ফসলি জমি ভরাট করে স্থাপনা তৈরি করছেন। এখন জমিতে চাষাবাদ করে লাভ হয় না। এরচেয়ে জমি ভরাট করে দোকান বা বাসাবাড়ি নির্মাণ করলে জমির দাম বাড়ে, ভাড়াও পাওয়া যায়।

মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিমালিকানাধীন বা যে কোনো জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ করতে হলে সংশ্লিষ্ট পৌরসভা, উপজেলা প্রশাসন বা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অনুমতি নিতে হবে। সড়কের পাশে বাড়িঘর নির্মাণ করা হলে অবশ্যই জায়গা রেখে স্থাপনা তৈরি করতে হবে।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, কৃষিজমি ভরাট করলেও খাদ্য উৎপাদনে তেমন প্রভাব পড়বে না। কারণ এখন উচ্চ ফলনশীল অনেক ধানের জাত আছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষিজমি রক্ষা করে স্থাপনা তৈরি করতে হবে। আমাদের দেশে কৃষিজমি ভরাটের বিষয়ে আইন হলো স্থাপনা নির্মাণের আগে অবশ্যই অনুমতি নিতে হবে। তবে এই আইন কেউ মানতে চান না।

এম ইসলাম/এসআর/এএসএম