ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বরিশালের ইফতারে মিলছে ৫ টাকার চপ থেকে ২০০০ টাকার খাসির রেজালা

জেলা প্রতিনিধি | বরিশাল | প্রকাশিত: ০৫:২৩ পিএম, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বরিশাল নগরীর অলিগলি থেকে শুরু করে বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ—সর্বত্রই জমে উঠেছে ইফতারের কেনাবেচা। ৫ টাকার আলুর চপ ও পিঁয়াজু থেকে শুরু করে ২ হাজার টাকার খাসির রেজালা; সব ধরনের ক্রেতার সামর্থ্য ও স্বাদের কথা মাথায় রেখে পসরা সাজিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

প্রতিদিন বিকেল ৪টার পর থেকেই ফুটপাত থেকে অভিজাত হোটেলগুলোতে বাড়ছে ভোজনরসিকদের ভিড়।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শহরের সদর রোড, বাংলাবাজার, নথুল্লাবাদ ও চৌমাথাসহ প্রধান এলাকাগুলো ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বরিশালের ইফতারে মিলছে ৫ টাকার চপ থেকে ২০০০ টাকার খাসির রেজালা

সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাদের পছন্দের ইফতার কিনতে ভিড় করছেন দোকানগুলোতে। সাধারণ মানুষ ফুটপাতের দোকান থেকে ছোলা-মুড়ি ও চপ কিনলেও শৌখিন ভোজনরসিকদের গন্তব্য এখন ভিন্ন স্বাদের বিদেশি ও ঐতিহ্যবাহী সব খাবার। শহরের ঐতিহ্যবাহী বরিশাল ক্লাব, নাজেম’স, এরাবেলা, হান্ডি কড়াই ও জাফরানের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো ইফতারি বাজার অনেকটা নিজেদের দখলে রেখেছে। এসব জায়গায় বেসিক, প্লাটিনাম ও প্রিমিয়াম নামে ভিন্ন ভিন্ন প্যাকেজ ইফতারি মিলছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরিশালের ইফতারে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে খাসির লেগ রোস্ট, গরুর কালা ভুনা এবং শাহি হালিম। বিশেষ করে ‘নাজেম’স’ রেস্তোরাঁর বিশাল আকৃতির ‘জামাই জিলাপি’ ভোজনরসিকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। আকারে বড় এই জিলাপি একটি কিনলেই পুরো পরিবারের ইফতারের মিষ্টির চাহিদা পূরণ হচ্ছে। এছাড়া তাদের জর্দা ও শাহি হালিমের সুখ্যাতি এখন বরিশাল ছাড়িয়ে আশপাশের জেলাগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে।

বরিশালের ইফতারে মিলছে ৫ টাকার চপ থেকে ২০০০ টাকার খাসির রেজালা

নগরীর নাজেম’স ইফতার বাজারের স্বত্বাধিকারী রেজা বলেন, ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পাঁচ টাকার চপ থেকে শুরু করে ১৪০০ টাকা কেজি গরুর কালাভুনা পাওয়া যাচ্ছে আমাদের এখানে। এখানে শাহি হালিম, বোরহানি ও শাহি জিলাপি বেশি নিচ্ছেন ক্রেতারা।

বরিশাল ক্লাবের ইফতার বাজারের দায়িত্বরত আনোয়ার হোসেন বলেন, ১০ টাকার আলুর চপ, পেঁয়াজি, বেগুনি থেকে ২০০০ টাকার খাসির রেজালা পাওয়া যাচ্ছে ইফতারিতে। এছাড়া হালিম, বোরহানি, জিলাপিসহ বিভিন্ন ধরনের ইফতার সামগ্রী বিক্রি করা হচ্ছে।

শাওন খান/কেএইচকে/এএসএম