ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

খাগড়াছড়িতে তিন দিনব্যাপী চাকমা ভাষার বইমেলা শুরু

জেলা প্রতিনিধি | খাগড়াছড়ি | প্রকাশিত: ০৯:০৩ পিএম, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নোয়ারাম চাঙমা সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে খাগড়াছড়িতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বইমেলা।

শুক্রবার (২০ফেব্রুয়ারি) সকালে খাগড়াছড়ি দীঘিনালা মুকুল নীলিমা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের হল রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই চাকমা সংস্কৃতির বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ত্রিদিব কান্তি দেওয়ানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি থেকে মেলার উদ্বোধন করেন আর্য মিত্র চাকমা, স্বাগত বক্তব্য রাখেন নোয়ারাম চাকমা সাহিত্য সংসদের পরিচালক ইনজেব চাকমা। তিনি বলেন, পাহাড়ের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে বইমেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নতুন প্রজন্মকে মাতৃভাষায় পড়াশোনায় উৎসাহিত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

মেলায় বিশেষ অতিথির ছিলেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পুরস্কার প্রাপ্ত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা গবেষক ও জাবারাংয়ের নির্বাহী পরিচালক মথুরা ত্রিপুরা, মারমা ভাষার লেখক গবেষক চিংলামং চৌধুরীসহ প্রমুখ।

আলোচকরা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সাহিত্য আজও যথাযথ স্বীকৃতি পায়নি। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির প্রেক্ষাপটে পাহাড়ের ভাষাগুলোর সংরক্ষণ ও গবেষণায় আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান বক্তারা।

খাগড়াছড়িতে তিন দিনব্যাপী চাকমা ভাষার বইমেলা শুরু

তারা বলেন, মাতৃভাষায় শিক্ষা ও সাহিত্যচর্চা বিস্তারে সরকার ও বেসরকারি উদ্যোগ একযোগে কাজ করলে ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষা পাবে।

তিন দিনব্যাপী এ বইমেলায় পাহাড়ি বিভিন্ন ভাষার বই, গবেষণা গ্রন্থ, কবিতা, গল্প, শিশুতোষ বই ও সাংস্কৃতিক প্রকাশনা স্থান পেয়েছে। পাশাপাশি প্রতিদিন থাকছে আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আয়োজকরা জানান, ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে বইমেলা একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে। নতুন প্রজন্মের কাছে মাতৃভাষার গুরুত্ব তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

আয়োজকরা আরও বলেন, পাহাড়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় মাতৃভাষা শিক্ষার জন্য ২০১৭ সাল থেকে প্রতি বছর বই বিতরণ করা হলেও প্রশিক্ষণ শিক্ষক ও সরকারের সদিচ্ছার অভাবে তা এখনও অধরা রয়ে গেছে।‌

প্রবীর সুমন/এমএন/এএসএম