ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

না.গঞ্জে ৭ খুন : সাত জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

প্রকাশিত: ০৭:১২ এএম, ১১ জুলাই ২০১৬

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের দুটি মামলায় এক র‌্যাব সদস্য ও মোবাইল কোম্পানির কর্মকতর্তাসহ ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। এসময় সাক্ষীদের আসামি পক্ষের আইনজীবীরাও জেরা করেন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আগামী ১৬ জুলাই শনিবার সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পযর্ন্ত গ্রেফতারকৃত ২৩ আসামির উপস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন এ সাক্ষ্য ও জেরা গ্রহণ করেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আগামী ১৬ জুলাই সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

সাক্ষ্য প্রদানকারীরা হলেন, মোবাইল ফোনের কললিস্ট সংগ্রহ করে দেয়া এয়ারটেল কর্মকর্তা শাহরিয়ার আলম সামন, বাংলা লিংক কর্মকর্তা হোসনে আরা হক, নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিবির কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম, ডিবি কার্যালয়ের ঝাড়ুদার মেহেদী হাসান মিন্টু, কনস্টেবল হাওলাদার ওমর, কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম, বিজিবি সদস্য তৎকালীন র‌্যাব - ১১ এ কর্মরত কামাল উদ্দিন।

জানা গেছে, সাত খুনের ঘটনায় দুটি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী নিহত আইনজীবী চন্দন সসরকারের মেয়ে জামাতা বিজয় কুমার পাল ও অপর বাদী নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি। দুটি মামলাতেই অভিন্ন সাক্ষী ১২৭ জন করে।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন ও গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহীম অপহৃত হন। পরে ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের ও ১ মে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

তদন্ত শেষে প্রায় এক বছর পর গত ৮ এপ্রিল নূর হোসেন, র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সাত খুনের দুটি মামলায় নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলায় নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ মোট ২৩ জন কারাগারে আটক রয়েছেন। আর চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে এখনো ১২ জন পলাতক রয়েছে।

শাহাদাত হোসেন/এফএ/পিআর