ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মা–বাবাকে হেলিকপ্টারে চড়িয়ে স্বপ্ন পূরণ করলেন প্রবাসী

জেলা প্রতিনিধি | টাঙ্গাইল | প্রকাশিত: ০৯:১৩ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

টাঙ্গাইলের সখীপুরে এক যুগের প্রবাসজীবনের পর বাবা-মাকে হেলিকপ্টারে চড়ানোর স্বপ্ন পূরণ করলেন সিঙ্গাপুর প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলম।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরে বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে গ্রামের বাড়িতে আসেন তিনি।

জাহাঙ্গীর আলম বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকার হজরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এর আগে তার বাবা আবুল হাশেম ও মা রিজিয়া খাতুন রাজধানী ঢাকায় এসে উপস্থিত হন। পরে দুপুরে তেজগাঁও থেকে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা ভাড়ায় হেলিকপ্টার নিয়ে বাবা-মা ও স্ত্রীসহ তিনি টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার মাচিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে ফেরেন।

স্থানীরা জানায়, জীবিকার তাগিদে প্রায় এক যুগ আগে শ্রমিক ভিসায় সিঙ্গাপুর যান জাহাঙ্গীর আলম। সেখানে গাড়ি চালনার প্রশিক্ষণ নিয়ে ধাপে ধাপে তৃতীয় শ্রেণি থেকে বর্তমানে প্রথম শ্রেণির চালকে উন্নীত হন তিনি। শুরুতে তার মাসিক আয় ছিল প্রায় দুই লাখ টাকা। বর্তমানে তার মাসিক বেতন ছয় লাখ টাকা। তিন মাস আগে স্ত্রী মিম আখতারকে নিয়ে সিঙ্গাপুরে যান তিনি। বৃহস্পতিবার সস্ত্রীক দেশে ফেরেন জাহাঙ্গীর আলম।

মা–বাবাকে হেলিকপ্টারে চড়িয়ে স্বপ্ন পূরণ করলেন প্রবাসী

হেলিকপ্টারে করে গ্রামের বাড়িতে আসার খবরে আশপাশের এলাকার মানুষ মাচিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ভিড় করেন। শত শত উৎসুক মানুষ প্রথমবারের মতো কাছ থেকে হেলিকপ্টার দেখতে সেখানে জড়ো হন। দুপুরে হেলিকপ্টারটি মাঠে অবতরণ করে। বাবা-মা, স্ত্রী ও সন্তানসহ হেলিকপ্টার থেকে নামার পর স্বজন ও গ্রামবাসী ফুল দিয়ে জাহাঙ্গীর আলমকে শুভেচ্ছা জানান।

জাহাঙ্গীর আলমের চাচাতো ভাই লিটন আহমেদ আকাশ বলেন, বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের ভালোবাসা দেখে আমরা সবাই আপ্লুত। এই মাঠে প্রথমবার হেলিকপ্টার নামায় এলাকাবাসী খুবই আনন্দিত।

সিঙ্গাপুর প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমার স্বপ্ন ছিল একদিন আমার বৃদ্ধ বাবা মাকে হেলিকপ্টারে চড়াব। আজ দীর্ঘদিন পর সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

এ ব্যাপারে সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজল খান বলেন, হেলিকপ্টার অবতরণের খবর পেয়ে আগেভাগে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। উৎসুক জনতাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে।

আব্দুল্লাহ আল নোমান/আরএইচ/জেআইএম