ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মাদারীপুর

দাম চড়া, ফল কিনতে হিমশিম

আয়শা সিদ্দিকা আকাশী | মাদারীপুর | প্রকাশিত: ০৪:২৩ পিএম, ০৩ মার্চ ২০২৬

রোজার প্রায় অর্ধেক চলে এলেও মাদারীপুরে এখনো চড়া ফলের দাম। ফল কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাদারীপুর শহরের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র পুরানবাজার, ইটেরপুল, চৌরাস্তা, পৌরসভা বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ও শহরের অলিগলিতে গড়ে ওঠা দোকানগুলোতে ফলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। জেলার সবচেয়ে বড় ফলের পাইকারি বাজারেরও একই অবস্থা। সেখানেও ফলের দাম বেশি।

দাম চড়া, ফল কিনতে হিমশিম

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রকারভেদে তরমুজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে পিস ৩০০-৬০০ টাকা, আনারস ২০-৬০ টাকা, বাঙ্গি ৪০-৬০ টাকা, পেয়ারা কেজি ১০০-১৩০ টাকা, আপেল ২৫০-৩০০ টাকা, আঙুর ৪৫০-৫৫০ টাকা এবং মালটা ২৮০-৩৩০ টাকা। পাশাপাশি বিভিন্ন মৌসুমি ফলের দাম কেজিতে ৩০-৭০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ফলে খুচরা বাজারগুলোতেও বেড়েছে ফলের দাম।

পুরানবাজারে ফল কিনতে আসা মোহাম্মদ ওহিদুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘বিদেশে রোজা এলে বাজারে খাবারের দাম কমে। কিন্তু আমাদের দেশে এর চিত্র উল্টো। প্রতিবছর রোজা এলেই সব কিছুর দাম বাড়ে। সেক্ষেত্রে ফলের দামও অনেক বেড়েছে।’

দাম চড়া, ফল কিনতে হিমশিম

মোস্তফাপুরের পাইকারি ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘চাহিদা অনুযায়ী ফলের সরবারহ কম থাকায় দাম একটু বেশি। আমাদেরও বেশি দামে কিনতে হয়। তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’

ইটেরপুলের ফল বিক্রেতা আয়ুইব আলী বলেন, ‘আমাদের কিছু করার নেই। বেশি দামে ফল কিনে আনতে হয়। তাই আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’

দাম চড়া, ফল কিনতে হিমশিম

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াদিয়া শাবাব বলেন, ফলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। দাম বেশি রাখলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রমজান উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। কোথাও দাম বেশি পাওয়ার অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এসআর/এএসএম