ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

যাত্রীতে ঠাসা বাসস্ট্যান্ড, ফাঁকা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

জেলা প্রতিনিধি | কুমিল্লা | প্রকাশিত: ০৫:২৪ পিএম, ২৭ মার্চ ২০২৬

ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরের পর থেকে কুমিল্লার বাসস্ট্যাণ্ডে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।

তবে স্বস্তির খবর হলো- ঈদ পরবর্তী সময়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার ১০৪ কিলোমিটার অংশে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যানজট না থাকলেও ঢাকামুখী লেনে পরিবহনের চাপ বেড়েছে।

সরেজমিন কুমিল্লার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল জাঙ্গালীয়া, শাসনগাছা, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, আলেখারচার, সেনানিবাস, নিমসার, চান্দিনা, দাউদকান্দি ও চৌদ্দগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকাঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, এবার ঈদযাত্রা এবং ঈদ পরবর্তী সময়ে যত্রীদের স্বস্তিতে গন্তব্যে পৌঁছাতে হাইওয়ে পুলিশ চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে। এখনো পর্যন্ত যানচলাচল স্বাভাবিক আছে। তবে মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে পরিবহনের চাপ বেড়েছে। যানজটের আশঙ্কা নেই।

এশিয়া ট্রান্সপোর্ট পরিবহনের চালক খায়ের মিয়া বলেন, এবারে ঈদের আগে ও পরে মাহাসড়কে যানজট ছিল না বললেই চলে। আমার মনে হয় জীবনে এমন স্বস্তির যাত্রা দেখিনি। আজ জুমার পরে সোয়া দুইঘণ্টায় ঢাকা থেকে কুমিল্লায় এসেছি। কুমিল্লা থেকে রাজধানীতে যেতেও দুই-আড়াই ঘণ্টা লাগছে।

যাত্রীতে ঠাসা বাসস্ট্যান্ড, ফাঁকা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

মাহতাব হোসেন নামে এক যাত্রী বলেন, জাঙ্গালীয়া বাস স্টেশনে টিকেট কেটে প্রায় দুই ঘণ্টা কাউন্টারে বসে আছি। এখনো গাড়ির দেখা মেলেনি। ১৯০ টাকার টিকিট ২৫০ টাকায় নিতে হয়েছে।

আবু রায়হান নামে আরেক যাত্রী বলেন, ছুটি শেষে পরিবার নিয়ে ঢাকা যাচ্ছি। ২৫০ টাকার ভাড়া চাওয়া হচ্ছে ৪৫০। অতিরিক্ত ১৫০ টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় দুপুর ২টা থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত পরিবার নিয়ে পদুয়ার বাজার এলাকায় দাঁড়িয়ে থেকেছি।

এশিয়া ট্রান্সপোর্ট পরিবহনের ম্যানেজার আব্দুর রহিম বলেন, বিআরটি-এ নির্ধারিত ভাড়া ১৯০ টাকা। এখন একমুখী যাত্রী বেশি থাকায় ৬০ টাকা অতিরিক্ত রাখা হয়েছে। উভয়দিকে যাত্রী হলে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হবে না।

কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার শাহীনুর আলম জাগো নিউজকে বলেন, ‘মহাসড়কে যাত্রীদের বিড়ম্বনা কমাতে যানজটপ্রবন চিহ্নিত এলাকায় বিশেষ নজর রাখা হয়েছে। ঈদে যেহেতু যানজট হয়নি ইনশাআল্লাহ ঈদ পরবর্তীতেও ভোগান্তি থাকবে না। নির্বিঘ্নে মানুষ ফিরতে পারবে।

জাহিদ পাটোয়ারী/এএইচ/এএসএম