ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

নীলফামারীতে খুব শিগগির হাজার শয্যার হাসপাতালের কাজ শুরু: সচিব

জেলা প্রতিনিধি | নীলফামারী | প্রকাশিত: ০৫:০৮ পিএম, ১০ এপ্রিল ২০২৬

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খুব শিগগির চীনের উপহারের এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল নির্মাণকাজ শুরু হবে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নীলফামারী সদরের দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলস এলাকায় হাসপাতালটির জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করে তিনি এ কথা বলেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল জায়গাটি পরিদর্শন করে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, হাসপাতালটিতে থাকবে এক হাজার শয্যা। এর মধ্যে ৫০০ শয্যা সাধারণ রোগীদের জন্য। বাকি ৫০০ শয্যা অত্যাধুনিক চিকিৎসা সুবিধাসম্পন্ন বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলা হবে। হৃদরোগ, কিডনি রোগসহ জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসা একই ছাদের নিচে নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েই এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

জায়গা পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী।

এসময় তিনি বলেন, ‘এ এলাকায় ১৬টি জেলায় প্রায় আড়াই কোটি মানুষ বসবাস করে। আমরা বিভিন্ন জরিপ চালিয়েছি। এখানে ক্যানসার, হৃদরোগ, কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে আমরা পর্যবেক্ষণ করছি কোন ধরনের রোগীরা ঢাকা, রাজশাহী বিভাগীয় শহর বা দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘উত্তরাঞ্চলের মানুষের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেই কৌশলগতভাবে এই মধ্যবর্তী স্থানটি নির্বাচন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবার অভাবে ভোগা এ অঞ্চলের মানুষের জন্য এটি হতে যাচ্ছে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।’

সচিব আরও বলেন, হাসপাতালটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়নে গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য বিভাগসহ মোট চারটি বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খুব শিগগির নির্মাণকাজ শুরু হবে।

এসময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম, রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাইদুল ইসলাম, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাকিউজ্জামানসহ উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল।

আমিরুল হক/এসআর/এএসএম