ফরিদপুরে বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ২
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাস ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত বেড়ে ২ জনে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩০ জন যাত্রী।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলার বাবলাতলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, পিকআপ চালক জাহাঙ্গীর মোল্লা ও তার সঙ্গে থাকা বাঙি ব্যবসায়ী আলমগী। তারা ভাঙ্গা পৌরসভার কৈডুবী সদরদী গ্ৰামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টেকেরহাট থেকে ভাঙ্গাগামী বাঙ্গি ভর্তি পিকআপের সঙ্গে ফরিদপুর থেকে বরিশালগামী শাহফরিদ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় বাসটি উল্টে খাদে পড়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠান। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এ সময় ঘটনাস্থলে তাদের দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপ পরিদর্শক মামুন হোসেন জানান, ফরিদপুর থেকে ছেড়ে আসা মাদারীপুরগামী শাহ্ফরিদ পরিবহন ভাঙ্গার বাবলাতলা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক টেকেরহাট থেকে বাঙ্গি বোঝাই একটি পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় স্থানীয় জনতা, ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে থানা পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় পিকআপের ২ জন নিহত হন। এছাড়াও বাস এবং পিকআপ মিলে ৩০ জন আহত হয়েছেন।
ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানসিভ জুবায়ের নাদিম বলেন, আহতদের মধ্যে ১৭ জনকে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি ১১ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, রাস্তার ওপর থেকে পিকআপটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বাসটি উদ্ধারের কার্যক্রম চলছে। সড়কের যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। সরু ব্রিজ এর সামনে দ্রুতগতির কারণে সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
এন কে বি নয়ন/কেএইচকে/এমএস