ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গরু বেশি ক্রেতা কম

প্রকাশিত: ০৮:১২ এএম, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের হাটগুলোতে পর্যাপ্ত পশু থাকলেও ক্রেতা কম থাকায় হতাশ বিক্রেতারা। দাম বেশি হওয়ায় পশু না কিনে অনেকে আবার ফিরেও যাচ্ছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার বটতলাহাট ঘুরে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত পরিমাণ কুরবানির পশু নিয়ে এসেছে বিক্রেতারা। হাটে জায়গা না হওয়ায় আশপাশের রাস্তায় পশু নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন বিক্রেতারা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার নামোরাজারামপুর মহল্লার গরু বিক্রেতা ইসমাঈল হোসেন জানান, বাড়ির পোষা গরু নিয়ে এসেছেন বিক্রি করতে। তিনি দাম চাইছেন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা কিন্তু ক্রেতা ৯০ হাজারের বেশি দাম বলছে না।

তিনি জানান, গরুর খাবারের দাম বেশি হওয়ায় গরু লালন পালন করতে খরচ বেড়ে গেছে কিন্তু সে তুলনায় দাম বলছে না ক্রেতা।

Chapainababgong

অপর গরু বিক্রেতা মোহনপুর গ্রামের আলমগীর হোসেন জানান, দুটি গরু নিয়ে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু ক্রেতা কাঙ্ক্ষিত দাম বলছে না।

সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুরের গরু ব্যবসায়ী জানান, অনেক ক্রেতা দাম জানতে হাটে এসেছে আবার বাড়ি গরু রাখার জায়গা না থাকায় কেউ কেউ গরু কিনছে না। তবে ঈদের আগের দিন বিক্রি ভালো হবে।

গরু কিনতে আসা মিজানুর রহমান ও মো. আরিফ জানান, গরুর দাম চড়া হওয়ায় তারা ফিরে যাচ্ছেন। কুরবানির আরো কয়েক দিন বাকি থাকায় অন্যান্য হাটে দাম যাচাই করে কিনবেন।

তারা জানান, গত বছর মাঝারি একটি গরুর দাম ছিল ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। আর এ বছর ওই সাইজের একটি গরুর দাম ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা। এছাড়া জেলার বাইরের পশু ব্যবসায়ীরা এখান থেকে পশু কিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছে। সে কারণে কিছুটা দাম বেড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
 
Chapainababgong

চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের জাকারিয়া হোসেন জানান, দাম কিছুটা বেশি হলেও তাদের পছন্দ ও বাজেটে মিল হওয়ায় ৭২ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু কিনেছেন।

এদিকে গত বছরের তুলনায় খাসির দাম কিছুটা বেশি বলে জানান ক্রেতারা।

বটতলা হাটের ইজারাদার নুরুজ্জামান জানান, এ বছর হাটে কোনো ভারতীয় গরু আমদানি হয়নি। তবে দেশি গরু রয়েছে পর্যাপ্ত। মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। ঈদের এখনও কয়েকদিন বাকি থাকায় বেচা বিক্রি কিছুটা কম হলেও সামনে শুক্রবারের হাটে আশানুরূপ বেচাকেনা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি জানান, হাটে নির্বিঘ্নে কেনাকাটা ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়াও জাল টাকা শনাক্তের জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিরা কাজ করছেন। প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পশুচিকিৎসকরাও রয়েছেন। সব কিছু মিলিয়ে হাটে ঈদের আমেজ বিরাজ করছে বলে জানান তিনি।

মোহা. আব্দুল্লাহ/এসএস/পিআর

আরও পড়ুন