ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

শেরপুরের ৯ স্থানে ঈদুল আজহা উদযাপন

প্রকাশিত: ০৯:৪২ এএম, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৬

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে বিগত কয়েক বছরের ন্যায় এবারও শেরপুরের ৯ স্থানে আজ সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) পৃথকভাবে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে।

সোমবার সকালে এ ৯ স্থানে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব জামাতে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নেন। তবে সমাজবদ্ধ কুরবানির প্রথা প্রচলিত থাকায় আজ কুরবানি সম্পন্ন হয়নি। আগামীকাল সারাদেশের সঙ্গে একযোগে তারা কুরবানি আদায় করবেন।

শেরপুর সদরের উত্তর ও দক্ষিণ চরখারচর, মুন্সিরচর, বামনের চর, গাজীরখামার গিদ্দা পাড়া গ্রামে পৃথকভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী মধ্যপাড়া গ্রামে নারী-পুরুষের মাঝখানে পর্দা দিয়ে একসঙ্গে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ইমামতি করেন মাওলানা আব্দুল মোতালেব। একই উপজেলার গোবিন্দনগর চিনামারা গ্রামে আরো একটি বৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুফতি হাফিজুল ইসলাম ইমামতি করেন।

তিনি বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করলেও কুরবানি করবো আগামীকাল। যেহেতু শরিকের কুরবানি, তাই সবার সঙ্গে মিলে কুরবানি করাই উত্তম। এছাড়া কুরবানির সময় তিন দিন পর্যন্ত থাকে বলেও জানান তিনি।

নকলা উপজেলার চরকৈয়া গ্রামেও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় দুই শতাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ ঈদ জামাতে ইমামতি করেন মো. সারোয়ার জাহান। এখানে মহিলারাও ঈদের নামাজে অংশ নেন। ঝিনাইগাতী উপজেলার বনগাঁও চতল গ্রামে আরো একটি আগাম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৮টা থেকে ১০ টার মধ্যে পৃথক স্থানে মুসল্লিরা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন। প্রত্যেকটি ঈদের জামাতে দেড় থেকে দুইশ’ লোক অংশ নেয়। নামাজের পর পারস্পরিক কোলাকুলি শেষে তারা প্রীতিভোজে অংশ নেন।

উল্লেখ্য, বিগত কয়েক বছর ধরে শেরপুরের এসব এলাকায় নিজেদের সুরেশ্বর দরবার শরিফের মুরিদান ও পিরভক্ত বলে দাবিদার লোকেরা সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে দুই ঈদ ও রমজানের রোজা পালন করে আসছেন।

হাকিম বাবুল/এএম/পিআর