টঙ্গীতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪
ফাইল ছবি
টঙ্গীর ট্যাম্পাকো কারখানার লেদ সেকশনের ইনচার্জ মনোয়ার হোসেন (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে তিনি ধানমন্ডি নর্দান হাসপাতালে মারা যান। এ নিয়ে ওই কারখানার মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৪।
নিহত মনোয়ার হোসেন শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার আনাখন্দ এলাকার মমতাজ উদ্দিন দেওয়ানের ছেলে।
নিহতের ভাতিজা রবিউল বাশার সুজন জানান, শনিবার সকালে কারখানার দেয়াল ধসে চাপা পড়েন তার চাচা। পরে স্থানীয়রা চাচা মনোয়ার হোসেনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসা পেতে বিলম্ব হওয়ায় তাকে সেখান থেকে ধানমন্ডি নর্দান হাসপাতালে ভর্তি করেন।
তিনি মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়ে সংজ্ঞাহীন ছিলেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মারা যান। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে টঙ্গীর ফকির মার্কেট এলাকায় (জাপানি বাড়ি) ভাড়া থেকে ট্যাম্পাকো কারখানায় চাকরি করতেন।
ধানমন্ডি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ জানান, বুধবার সকাল ১০টার দিকে ট্যাম্পাকোর শ্রমিক মনোয়ার হোসেনের লাশের সুরুতহাল প্রতিবেদন করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
টঙ্গী থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক ও ট্যাম্পাকোর ঘটনায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুমন ভক্ত জানান, এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা হলো ৩৪।
বুধবার সকালেও সেনাবাহিনীর সদস্য ও ফায়ারব্রিগেডের লোকজন ট্যাম্পাকোর ধ্বংসস্তূপ অপসারণ ও উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। গত সোমবার ওই ধ্বংসস্তূপ থেকে চারজনের লাশ উদ্ধারের পর মোট মৃতের সংখ্যা ছিল ৩৩।
আমিনুল ইসলাম/এসএস/এমএস