ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ব্যবসায়ীকে ফাঁসাতে গিয়ে ৪ পুলিশ অবরুদ্ধ

প্রকাশিত: ১১:৫৮ এএম, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬

যশোরের কেশবপুরে এক ব্যবসায়ীর দোকানে ইয়াবা ট্যাবলেট রেখে তাকে ফাঁসাতে গিয়ে জনরোষের শিকার হয়েছেন পুলিশের চার সদস্য। রোববার রাত ৮টায় কেশবপুর উপজেলার জাহানপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
 
বাজার ব্যবসায়ীসহ হাজার হাজার জনতা ভালুকঘর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মিজানসহ ৪ পুলিশ সদস্যকে এ সময় তিন ঘণ্টা একটি দোকানে তালাবদ্ধ করে রাখে। পুলিশের অপর সদস্যরা হলেন, কনস্টেবল ইসমাইল হোসেন, ইউসুফ আলি ও যোবায়ের রহমান।
 
পরে কেশবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দোষীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়ে জনরোষ থেকে তাদের উদ্ধার করে।
 
চার পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পকেটে করে ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে তারা বাজরের আব্দুল লতিফের মুদি দোকানে রাখার চেষ্টা করে। ইয়াবা রাখার অভিযোগে ওই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে তার হালখাতায় আদায়কৃত ৮৫ হাজার টাকাও নিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে এ পুলিশ সদস্যরা। বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি খলিলুর রহমান সরদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
 
এ বিষয়ে তিনি জানান, পকেটে করে ইয়াবা ট্যাবলেট এনে মুদি দোকানি আবদুল লতিফের দোকান থেকে তা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। এরপর বাজারের ওই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে তার দোকানের ক্যাশে আদায়কৃত টাকা নেয়ার চেষ্টা করে ভালুকঘর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই ও তার সঙ্গীয় ফোর্স।
 
বাজার ব্যবসায়ী সভাপতি বলেন, ঘটনা দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার জনতা পুলিশ সদস্যদের ঘেরাও করে। এরপর তাদের চারজনকে একটি দোকানে আটকে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় বাজার ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী ওই পুলিশ সদস্যদের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ করে।
 
কেশবপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় রাত সাড়ে ১০টায় জাহানপুর বাজারে গিয়ে মাইকে এসআই মিজানকে প্রত্যাহার ও বিভাগীয় ব্যবস্থার নেয়ার ঘোষণা দিলে জনগণ শান্ত হয়। এরপর রাত ১১টার দিকে তালাবদ্ধ অবস্থা থেকে এসআই মিজান ও ৩ কনস্টেবলকে উদ্ধার করা হয়।
 
এসআই মিজানকে ভালুকঘর পুলিশ ক্যাম্প থেকে প্রত্যাহার করে যশোর পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি সহিদুল ইসলাম।

এএম/জেআইএম