ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

যশোরে বিএনপির ভোটাররা ক্ষমতাসীনদের চাপের মুখে

প্রকাশিত: ০২:৫৮ পিএম, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬

আগামী ২৮ ডিসেম্বর যশোর জেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের নিয়ে টানা হেঁচড়া শুরু হয়েছে। আর বিএনপি সমর্থিত ভোটারদের ক্ষেত্রে এ সঙ্কট আরও বেশি।

বিএনপির কোনো প্রার্থী না থাকায় ক্ষমতাসীন দলের একাধিক প্রার্থী তাদের ভোট পেতে চাপে রেখেছেন। এমনকি তাদেরকে প্রকাশ্যে সিল মেরে ভোট প্রদানের প্রমাণ দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। এমন অভিযোগও করা হয়েছে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে।

যশোর জেলা নির্বাচন কমিশন সূত্র মতে, ক্ষমতাসীন দলের বাইরে যশোর জেলা পরিষদ নির্বাচনে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী নেই। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা শাহ্ হাদিউজ্জামান একমাত্র প্রার্থী হওয়ায় তিনি বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আর সাধারণ সদস্যের ১৫টি পদে আওয়ামী লীগ থেকে ৫২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

৫টি সংরক্ষিত নারী পদের বিপরীতে প্রার্থী আছেন ১১ জন। তারা সবাই আওয়ামী লীগের জেলা, উপজেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রভাবশালী নেতা।

এদিকে ক্ষমতাসীন দলের বিপক্ষে ক্ষমতাসীনরাই মাঠে থাকায় বিএনপির ভোটারদের নিয়ে টানা হেঁচড়া করার অভিযোগ উঠেছে। তাদেরকে প্রকাশ্যে ভোট প্রদানের নির্দেশ দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কোনো কোনো ভোটারকে ভোট কেন্দ্রে যাওয়া আসার খরচ দেওয়ার নামে অর্থ দিয়ে ভোট পাওয়ার কৌশল নেওয়া হচ্ছে। একাধিক ভোটার ও প্রার্থী এমন তথ্য দিয়েছেন।

অন্যদিকে, সাধারণ সদস্য পদে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী শহীদুল ইসলাম জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ করেছেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ভোটারদের হুমকি ধামকি দিচ্ছেন।

সোমবার দেওয়া এ অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে তার ওয়ার্ডের হাতী মার্কার প্রার্থী ভোটারদের ব্যালট পেপারে প্রকাশ্যে সিল মারার জন্য এ হুমকি দিচ্ছেন। এ জন্য তিনি মণিরামপুরের রাজগঞ্জ শহীদ স্মৃতি বালিকা কেন্দ্রটি ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করে ম্যাজিস্ট্রেটসহ পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করার অনুরোধ করেছেন।

এছাড়া ২৩ ডিসেম্বর প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন সংরক্ষিত ওয়ার্ড ২ এর প্রার্থী নাজনীন নাহার। তাকে নির্বাচন থেকে সরে যেতে এ হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

মিলন রহমান/এমএএস/আরআইপি