স্ত্রীকে ফিরে পেতে স্বামীর সংবাদ সম্মেলন
মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ সুষ্ঠু বিচার ও স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার জন্য নওগাঁর বদলগাছীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বামী।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বদলগাছী প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে জুয়েল হোসেন এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার পশ্চিম আমত্ত চড়াপাড়া গ্রামের দুদুর ছেলে তিনি। একই উপজেলার হাস্তাবসন্তপুর ঘোষপাড়া গ্রামের অমল দেবনাথের প্রথম মেয়ে চৈতি দেবনাথের সঙ্গে ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। এ সুবাদে চৈতি দেবনাথ নিজ ইচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।
এরপর চৈতি দেবনাথ থেকে নাম পরিবর্তন করে আসিয়া খানম মীম রেখে গত বছরের ২৯ মে বিয়ে করেন তারা। এছাড়া উভয়ের সম্মতিক্রমে বিয়ের এফিডেভিট ও ঘোষণাপত্র কোর্টে উপস্থিত করে সংসারও করেন।
কিন্তু হঠাৎ একদিন প্রতিবেশীর মাধ্যমে জানতে পারেন আক্কেলপুর থানায় স্ত্রীর বাবা তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এরপরও তিনি হাইকোর্ট থেকে উক্ত মামলার জামিন নিয়ে আসেন।
কিন্তু তারপরও স্ত্রীর বাবা আক্কেলপুর থানা পুলিশের মাধ্যমে তার বড় চাচা ও তিন ফুপুকে আটক করিয়ে কোর্টে চালান করান। তিনি জামিনে থাকা সত্ত্বেও ঘটনার একদিন পর পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে এবং জোরপূর্বক স্ত্রীকে তার কাছ থেকে আলাদা করে রাখে।
এসময় জুয়েল আরো বলেন, মহামান্য আদালতে আমার স্ত্রী জবানবন্দী দেয় যে তাকে অপহরণ করা হয় নাই সে স্বেচ্ছায় আমার সঙ্গে গিয়েছিল। চৈতি দেবনাথ ধর্মান্তরিত হয়ে আমাকে বিয়ে করে। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমি ও আমার পরিবারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
অন্যায়ভাবে স্ত্রীকে আমার কাছ থেকে আলাদা করে রাখা হয়েছে। আমার ও পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ সুষ্ঠু বিচার এবং স্ত্রীকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালতসহ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
সংবাদ সম্মেলনে জুয়েলের চাচা আলম এবং ভাই মিঠু উপস্থিত ছিলেন।
এবিষয়ে আক্কেলপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, চৈতিকে জুয়েল হোসেনের ফুফুর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। সেহেতু তাদেরকে ধরে কোর্টে চালান করা হয়। তবে জুয়েলকে আটক করা হয়নি।
আব্বাস আলী/এফএ/জেআইএম