ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনিতে ৫ লাখ মে.টন পাথর অবিক্রিত

প্রকাশিত: ১২:০০ পিএম, ১৮ মার্চ ২০১৫

দিনাজপুরের পার্বতীপুর মধ্যপাড়া কঠিন প্রকল্পের উত্তোলিত অবিক্রিত পাথর নিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছে খনি কর্তৃপক্ষ। রাখার জায়গা না থাকলেও দিন দিন বাড়ছে অবিক্রিত পাথরের মজুদ।

খনি সূত্রে জানা গেছে, অবিক্রিত পাথরের পরিমাণ ৫ লাখ মে.টন। এছাড়াও পাথরের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বর্তমানে মধ্যপাড়া খনিতে জার্মানিয়া ট্রাষ্ট কনসোডিয়াম জেটিসি পাথর উত্তোলনের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে ৩ শিপ্টে পাথর উত্তোলন শুরু করে। এতে প্রতিদিন ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার মে.টন পাথন উত্তোলন হচ্ছে। কিন্তু সেই পরিমাণ পাথর প্রতিদিন বিক্রি না হওয়ায় অবিক্রিত পাথরের মজুদ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অবিক্রিত পাথরের মজুদ বৃদ্ধি হওয়ার কারণ হিসেবে খনি কর্তৃপক্ষ চলমান হরতাল অবোরোধকে দায়ী করলেও পাথর বিক্রির ডিলারেরা বলেছেন ভিন্ন কথা। তারা বলছেন, খনি থেকে পাঁচ প্রকার পাথর উত্তোলন হয়। যেমন ০৫/২০মিমি, ২০/৪০মিমি, ৪০/৬০মিমি, ৬০/৮০মিমি ও বোল্ডার। বাজারে বেশির ভাগ সময় ০৫/২০ সাইজের পাথর বেশি চাহিদা থাকে। কিন্তু, বোল্ডারের চাহিদা সব সময় থাকে না। এছাড়া খনি থেকে রেলওয়েতে পাথর পরিমাপের ডায়ানামিক যন্ত্রটি দীর্ঘদিন থেকে বিকল হয়ে পড়ে থাকলেও এখন পর্যন্ত তা সচল হয়ে উঠেনি। ফলে নানাবিধ অসুবিধায় ক্রেতারা এখান থেকে পাথর নিতে অনীহা প্রকাশ করছে।



এ বিষয়ে মধ্যপাড়া গ্রানাইড মাইনিং কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক মীর আব্দুল হান্নান বলেন, চলন্ত গতিতে পাথর পরিমাপের যন্ত্র ডায়ানামিক যন্ত্রটি ২০১৩ সালে বর্জ্রপাতের কারণে বিকল হয়ে যায়। কিন্ত, ওই বছরের শেষে খনিটির উত্তোলন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বেসরকারি কোম্পানি জিটিসির সঙ্গে চুক্তি হওয়ায় সেই সময় ওই যন্ত্রটি মেরামতের দায়িত্ব তাদের ওপর অর্পন করা হয়। তারা বিদেশ থেকে প্রকৌশলী এনে তা মেরামত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিধায় অল্প সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, মধ্যপাড়া খনির পাথর যে কোনো পাথরের চেয়ে অনেক উন্নত মানের এবং এখান থেকে পাথর পরিবহন করতেও খরচ অনেক কম, ফলে মধ্যপাড়া খনিটি থেকে দেশীয় কোম্পানি পাথর কিনলে বৈদেশিক মুদ্রার অপচয় রোধ হয়। এইজন্য তিনি মধ্যপাড়ার পাথর প্রতিটি প্রকল্পে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।

এমএএস/পিআর