বাঁশিতে কেটে যাচ্ছে চাঁন মিয়ার জীবন
ছোটবেলায় বাড়ির পাশের বাজার থেকে একটি বাঁশি কিনেছিলাম। তখন বাজাতে পারি না। সেই থেকেই শুরু বাঁশি বাজানো শেখার আপ্রাণ চেষ্টা। কয়েক বছর চেষ্টার পর অবশেষে বাঁশি বাজানো শিখেই ফেলি। সেই বাঁশি আজো ছাড়তে পারিনি।
বাঁশি বাজানোর সেই নেশাকেই এখন পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছি। যা রোজগার হয় তাতে সংসার চলে যায়। শুক্রবার বিকেলে গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকায় জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপচারিতায় ময়মনসিংহ জেলার চাঁন মিয়া এসব কথা বলেন। তিনি জেলার হালুয়াঘাট থানার ভারালিয়া গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে।
চাঁনমিয়ার সঙ্গে আলাপচারিতার সময়ে ফারুক হুসাইন নামের একজন একটি বাঁশি কিনেন। তিনি বলেন, আমি বাঁশি বাজাতে পারি না, সখ করেই কিনলাম।
৩২ বছরের যুবক চাঁন মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, বাঁশিতে গানের সুর শুনে খুশি হয়ে কেউ কেউ টাকাও দেন। অনেকে আবার সখের বশে বাঁশিও কিনে নেন। এভাবে দিনে ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত আয় হয়। এ আয়েই আমার সংসার চলে। নিদৃষ্ট কোনো স্থান নেই। দেশের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে বাঁশি বাজাই। তাছাড়া মাঝে মধ্যে কিছু স্টেজ প্রোগ্রাম পাই। সেখানে ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা দেয়। এভাবেই কেঁটে যাচ্ছে দিনগুলো।
এমএএস/এমএস