ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মা-শিশু হত্যা : ৪২ দিন পর উঠানো হলো মরদেহ

প্রকাশিত: ০২:০৫ পিএম, ০৭ মার্চ ২০১৭

পঞ্চগড়ে ভাড়াটে খুনি দিয়ে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যা করে তা সড়ক দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেয়ার ঘটনায় দাফনের ৪২ দিন পর ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলন করা হয়েছে এক বছর বয়সী শিশু নারায়ণ চন্দ্রের মরদেহ।
 
মঙ্গলবার দুপুরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার বামন পাড়া এলাকা থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ ডব্লিউ এম রায়হান শাহ’র উপস্থিতিতে মরদেহটি উত্তোলন করে পুলিশ।
 
ঘটনার দিন ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের লোকজনের কাছে মরদেহ দুইটি হস্তান্তর করায় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিএম তারিকুল কবির শিশু নারায়ণের মরদেহ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের নির্দেশ দেন।

তবে একইদিনে খুন হওয়া সনাতন ধর্মালম্বী শিশুটির মা জয়ন্তী রানীর (৩২) মরদেহটি দাহ করে ফেলায় তা উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি।
 
গত ২৩ জানুয়ারি পঞ্চগড়ের অমরখানা এলাকায় পঞ্চগড়-বাংলাবান্ধা মহাসড়কে রাত সাড়ে ১০টায় একটি মোটরসাইকেলসহ জয়ন্তী রানী ও তার শিশুপুত্র নারায়ণের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পথচারীরা।

এ সময় তাদের মরদেহের সামন্য দূরে জয়ন্তীর স্বামী শীতেন্দ্র নাথকেও পড়ে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয়রা। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মরদেহ দুইটি উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাপাতাল মর্গে এবং শীতেন্দ্র নাথকে আহত ভেবে হাসপাতালে ভর্তি করে।

নিহত জয়ন্তী রানীর বাবার বাড়ির লোকজনের সন্দেহ হলে জয়ন্তী রানীর ছোট ভাই পরিমল চন্দ্র রায় বাদী হয়ে গত ৯ ফেব্রুয়ারি তার স্বামী শীতেন্দ্র নাথসহ চারজনকে আসামি করে পঞ্চগড় আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশকে নথি ভুক্ত করে তদন্তের নির্দেশ দেন। এরপর পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশের তদন্তে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি পরিষ্কার হলে ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে শীতেন্দ্র নাথকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
 
সফিকুল আলম/এএম/এমএস