কুষ্টিয়ায় স্বপ্নের সেতু দিয়ে পারাপার শুরু
একটি সেতুর অভাবে জেলা শহরের কোলাহলমুখর জনপদ থেকে আলাদা ছিল তিন লক্ষাধিক মানুষ। প্রতিদিন নদী পারাপারের বাস্তবতা থেকে উত্তরণের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন গড়াই নদীর কারণে বিভক্ত থাকা হরিপুর ও কয়াবাসী। এই স্বপ্নের উন্মেষ ঘটেছিল ১৯৯৫ সালে। দীর্ঘ ২২ বছরের আন্দোলন সংগ্রামের অবসান ঘটিয়ে স্বপ্নের সেতু দিয়ে পারাপার শুরু করেছে দুই ইউনিয়নবাসী।
শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে সেতু সংলগ্ন কুষ্টিয়া প্রান্তে শেখ রাসেল কুষ্টিয়া-হরিপুর সংযোগ সেতুর ফলক উন্মোচন করেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
ফলক উন্মোচন শেষে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফরে কোনো চুক্তি হলে তা হবে সমতার ভিত্তিতে। আমাদের স্বার্থ বিঘ্নিত করে কোনো চুক্তি করার প্রশ্নই ওঠে না। ভারত যদি তার স্বার্থ রক্ষার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আর সেই স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে আমাদের ত্যাগ স্বীকার করতে তবে সেটা আমরা কেন মানবো?
ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিএনপির সব চিন্তা নেতিবাচক। তারা সব কথা না দিয়ে শুরু করে। তাই বিএনপিকে নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না।
এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী শ্যামা প্রসাদ অধিকারী, কুষ্টিয়া-১ আসনের সাংসদ রেজাউল হক চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রশাসক রবিউল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক জহির রায়হান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আল-মামুন সাগর/আরএআর/পিআর