মুক্তিকামী মানুষকে সংগঠিত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন মফিজুর
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ষাটের দশকের সংগ্রামী ছাত্রনেতা বীর মুত্তিযোদ্ধা কে.বি.এম. মফিজুর রহমান খান। তিনি ১৯৪৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তৎকালীন নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার (বর্তমান গাজীপুরের কালীগঞ্জ) দক্ষিণসোম গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ৩ ভাই ২ বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। বাবা মরহুম ফরহাদ উদ্দিন খান ছিলেন সরকারি চাকরিজীবী। আর মা মরহুমা বদরুন্নেসা খানম ছিলেন গৃহিণী।
মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি সবেমাত্র জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে স্নাতক পাস করে বেড়িয়েছেন। বয়স ছিল আনুমানিক ২৭ বছর। ৭১-এ দেশকে হানাদার মুক্ত করতে বাংলার মুক্তিযোদ্ধাদের সুসংগঠিত করতে পরিশ্রম করেছেন রাতদিন। মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রশিক্ষণ নিতে যান ভারতের উত্তর প্রদেশের দেরাদুন তাণ্ডয়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে।
সেখানে তিনি ভারতীয় তৎকালীন গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান জগৎ সিং এর অধীনে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। পরে তিনি শেখ ফজলুল হক মনির কমান্ডে বিপ্লবী পরিষদ (বিএলএফ) পরে মুজিব বাহিনীতে সংগঠিত করেন। দেশের মুক্তিকামি মানুষকে সংগঠিত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তি সংগ্রামে। টানা নয় মাসের যুদ্ধে পৃথিবীর মানচিত্রে রচিত হয় বাংলা নামের স্বাধীন দেশ।
১৯৬২ সাল। ওই সময় আইয়ুব খানের সামরিক শাসন অতিষ্ট করে তুলেছে দেশের প্রতিটি মানুষকে। চাপা ক্ষোভ জন্ম নিয়েছে সামরিক শাসকদের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে ছাত্ররা তখন বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। তাছাড়া তাদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয় হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশন প্রদত্ত গণবিরোধী শিক্ষা ব্যবস্থা। এ সময় জনতার ক্ষোভ এক গণ আন্দোলনের রূপ নেয়। ছাত্ররা আর ক্লাসে বই নিয়ে বসে থাকতে পারে না। তাদের সঙ্গে আমিও শরীক হয়ে যাই মিছিলে। মিছিল এগিয়ে চলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা ময়দানে (বর্তমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সম্মুখস্থ এলাকা)। চলছে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভা। জীবনে এই প্রথম আমি কোনো ছাত্র সভায় এসেছি। সভায় এসে অবাক বিস্ময়ে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতিতে তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন, ছাত্র নেতা শেখ ফজলুল হক মনি, সিরাজুল ইসলাম, ওবায়দুর রহমান, কাজী জাফর, আব্দুর রাজ্জাকের মতো ছাত্র নেতাদের জ্বালাময়ী বক্তৃতা মনে আগুন ধরিয়ে দেয়। তাদের কণ্ঠে আইয়ুব শাসনের বিরুদ্ধে যে তেজোদীপ্ত বাণী উচ্চারিত হয় তাতে রোমাঞ্চিত হয়ে উঠি। এভাবে চলতে থাকে সভা, শোভাযাত্রা। নিজেও শরীক হয়ে গেলাম ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে। আন্দোলন তখন চরম রূপ লাভ করে।
ওই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর ডাকা হয়েছে হরতাল। এ হরতাল বানচালের জন্য আইয়ুব সরকার জারি করে ১৪৪ ধারা। সকাল থেকেই সকল যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ছাত্ররাও আমতলায় আসতে শুরু করে। সব বাধা উপেক্ষা করে আমতলায় জমায়েতের পর মিছিল বেড়িয়ে পড়ে। সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল এগিয়ে যাবে। যেই সিদ্ধান্ত, সেই কাজ। মিছিল এগিয়ে চলে সামনে। এমন পরিস্থিতিতে পুলিশ আর ছাত্রদের মধ্যে সংর্ঘষ বেঁধে যায়। ছাত্রদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বৈরাচারের লেলিয়ে দেয়া পুলিশ বাহিনী। পুলিশ গুলি চালায় ছাত্রদের মিছিলের উপর। শহীদ হন- বাবুল, ওয়াজিউল্যাহ্ ও গোলাম মোস্তফা। শহীদের রক্তে লাল হয়ে যায় ঢাকার পিচ ঢালা পথ। ওইদিনের লাল রক্ত আমাদের আন্দোলন দমাতে পারেনি। শহীদের রক্ত আমাদের আরও বেশি বিদ্রোহী করে তোলে স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে। আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে। নতুন করে শপথ নেয় ছাত্র সমাজ। সেই দিন থেকেই পাকিস্তানি শাসকের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য সক্রিয়ভাবে ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ি।
১৯৬৬ সাল। ৭ জুন এদেশের মুক্তিকামী জনগণের চেতনায় এক অবিস্মরণীয় দিন। যতদিন বাঙালি জাতি বেঁচে থাকবে ততদিন ভুলতে পারবেনা ৭ জুনের রক্ত ঝরা সেই দিনটির কথা। ভুলতে পারবেনা তেঁজগাওয়ের শ্রমিক মনু মিয়া, আমির হোসেন ও আনোয়ারা বেগমকে। তাদের রক্তে সেই দিন লাল হয়ে গিয়েছিল ঢাকার রাজপথ। স্বায়ত্বশাসন তথা বাঙালির মুক্তি আন্দোলনে সেই দিন ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বাংলার মানুষ। টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত সবাই স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছিল।
১৯৬৬ সাল। ৬ দফা কর্মসূচি ঘোষণার পর কলেজ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবকে সংবর্ধনা জানাবার সিদ্ধান্ত নেই। আমাদের হাতে সময়ও ছিল কম। তাই শেখ মুজিবের সংবর্ধনায় ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। নির্দিষ্ট দিনের সন্ধ্যায় তিনি এলেন। ইতোপূর্বে তার সঙ্গে আমার কখনও সাক্ষাৎ হয়নি। তাই এত বড় একজন ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্য পাবার আশায় আমার মন আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠেছিল।
সন্ধ্যার পর সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় তিনি ৬ দফা কর্মসূচি ব্যাখ্যা দিয়ে আমাদের বুঝালেন কি করে পশ্চিম পাকিস্তানিরা বাঙালিদের উপর শোষণ চালাচ্ছে। তার কন্ঠ থেকে যেন আগুণ ঝড়ে পড়েছিল। আর সেই আগুনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিলাম আমরা প্রতিটি ছাত্রলীগ কর্মী। অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত সাড়ে ১০টা। আমরা শেখ মুজিবকে বিদায় জানাই। তিনি গাড়িতে গিয়ে উঠলেন। গাড়ি ছেড়ে যাবে এমন সময় হঠাৎ আমার দিকে তাকিয়ে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুই কোথায় থাকিস? আস্তে করে বললাম গ্রীণরোডে। তাহলে তুই আমার গাড়িতে উঠে বোস। আমি ধানমন্ডি ৩২ নম্বর যাব। পথে তোকে নামিয়ে দেয়া যাবে। অতি সংকোচে আমি গাড়িতে উঠে বসলাম। আমার নাম ধাম পরিচয়ও তিনি ভালোভাবে জানেন না। তাই গাড়িতে উঠার আহ্বানে আমি অভিভূত হয়েছিলাম। গাড়ি এগিয়ে চললো। কিছু দূর যাবার পর তিনি আমার মাথায় হাত রাখলেন, অত্যন্ত স্নেহের সূরে বললেন- ৬ দফা ওরা মানবে না রে? তোদের অনেক কাজ আছে। ওদের কাছ থেকে এদেশকে একমাত্র তোরাই মুক্ত করতে পারবি। তোদের নিয়ে আমার অনেক আশা। মন্ত্রের মতো শুনতে লাগলাম তার কথাগুলো। শুনতে শুনতে আমি যেন সম্মোহিত হয়ে পড়লাম। কখন যে বাসার সামনে গেছি বুঝতেই পারিনি। আমাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে তিনি চলে গেলেন।
বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে প্রথম দেখার সে দিনের কথা আমি আজো ভুলতে পারিনি। পরবর্তী সময়ে শেখ মজিবুর ‘‘বঙ্গবন্ধু’’ হয়েছেন। জাতির মহান নেতা হিসেবে সারা বিশ্বের স্বীকৃতি পেয়েছেন। স্বাধীনতার পরবর্তীকালে অনেকেই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে বহু কথা বলেছেন। কিন্তু বলতে দ্বিধা নেই, সেই দিন যে বাণী তিনি আমাকে কানে দিয়েছেন- তোদের উপর আমার অনেক আশা, তোরাই পারবি দেশকে মুক্ত করতে। সেই বাণীই আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছিল পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নিতে। প্রেরণা যুগিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে।
১৯৬৮ সাল। ২৯ জানুয়ারি জগন্নাথ কলেজে কর্মী সভা শেষ করে রিকশায় বাড়ি ফিরছিলাম। রিকশা নবাবপুর রোড পুলিশ ক্লাবের কাছে আসতেই এক মোটরসাইকেল এসে রিকশার গতিরোধ করলো। আমি গ্রেফতার হলাম। তবে এত তাড়াতাড়ি চার দেয়ালের ভেতরে চলে যেতে হবে ভাবিনি। দীর্ঘ তেরটি মাস কারাভোগের পর ১৯৬৯ এর ১০ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাই।
১৯৬৯ সাল। ১৫ ফেব্রুয়ারি জাতির ইতিহাসে এদিনটি স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। যতদিন লেখা হবে বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাস, ততদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। অমর হয়ে থাকবেন সার্জেন জহুরুল হক। স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রথম শহীদ। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে পাঞ্জাবীদের গুলিতে নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিয়ে আমাদের মুক্তির পথকে প্রশস্ত করে দিয়ে গেছেন এ বীর সৈনিক। ঊনসত্তরের আন্দোলন যখন ধর ধর করে কাঁপছে পাকিস্তানি বেনিয়াদের সিংহাসন, বিদ্রোহের আগুন যখন জ্বলছে বাংলার ঘরে ঘরে, শেখ মুজিবসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যান্য আসামিরা যখন মুক্তির দিন গুনছেন, ঠিক তখনই ৬৯ এর ১৫ ফেব্রুয়ারি আগরতলার মামলার অন্যতম আসামি বীর দেশপ্রেমিক সার্জেন জহুরুল হককে গুলি করে হত্যা করা হয়। আর তখনই আন্দোলনের গতি অন্যদিকে মোড় নেয়। ৬ দফা, তথা ১১-দফা আন্দোলনের রূপ ধারণ করে এক দফায়, অর্থাৎ স্লোগান উঠে ‘জহুরুলের রক্ত স্বাধীনতার মন্ত্র’। এর পরের বছর অর্থাৎ ১৯৭০ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন জহুরুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়। ওই দিবসে ঢাকা মহানগর, ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের কমীদের নিয়ে ‘ফেব্রুয়ারি ১৫ বাহিনী’ নামে সু-শৃঙ্খল বাহিনী গঠন করা হয়। আর এই তিন শাখার দায়িত্বে ছিলেন কামাল উদ্দিন, হাসানুল হক ইনু এবং আমি।
জহুরুল দিবসে স্বাধীন বাংলার পতাকার রূপ দেবার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু অসুবিধার কারণে সেদিন মূল পতাকা তৈরি করা সম্ভব হয়নি, পরে ’৭০ এর ৭ জুন ‘জয় বাংলা বাহিনী’ নামে আরেকটি বাহিনী গঠন করা হয়। জয় বাংলা বাহিনীর জন্য কাজী আরেফ আহমেদ, আ.স.ম রব, শাহজাহান সিরাজ ও মনিরুল ইসলাম জহুরুল হলের একটি কক্ষে বসে পতাকা তৈরির পরিকল্পনা করেন। পতাকার নকশা তৈরি করেন শিব নারায়ণ দাস। নকশা ছিল বটলগ্রীণ জমিনের উপর লাল সূর্য এবং সূর্যের মাঝখানে বাংলাদেশের মানচিত্র। বিপ্লবী পরিষদের কেন্দ্রীয় ফোরামে পতাকাটির অনুমোদন নেয়া হয়, এবং ঐতিহাসিক ৭ জুন জয়বাংলা বাহিনীর পতাকা মার্চ পাস্টে বঙ্গবন্ধুর হাতে তুলে দেয়া হয়। পরবর্তীতে ’৭১ এর ২ মার্চ এই পতাকাটিই বিপ্লবী পরিষদের অনুমোদনক্রমে আ.স.ম রব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষাধিক ছাত্র জনতার সামনে উত্তোলন করেন ও স্বাধীন বাংলার পতাকা হিসেবে ঘোষণা করেন।
১৯৭১ সাল। ৭ মার্চ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নির্ধারিত সময়ে এলেন এবং ধীর পায়ে মঞ্চে উঠলেন। লাখো জনতার দিকে তাকালেন। তাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হচ্ছে ‘বীর বাঙ্গালী অস্ত্র ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর’। তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা’। ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ ইত্যাদি স্লোগান। তারপরও শুরু করলেন-‘ভাইয়েরা আমার .......................’। মাত্র ১৮ মিনিটের ভাষণ। শেষ করলেন ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম’। ১৮ মিনিটের মহাকাব্য? প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি উচ্চারণ মুক্তি পাগল মানুষকে উদ্ভাষিত করে এই ভাষণ।
৭ মার্চের ভাষণ দেশের প্রতিটি আলোড়িত মানুষ ২৫ মার্চের গণহত্যার পরেই প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলেন। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু নির্দেশ পাঠান ‘আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন’। ২৭ মার্চ চট্টগ্রাম থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে জিয়াউর রহমান বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। বসে থাকিনি আমিও। দেশের মুক্তিকামি মানুষকে সংগঠিত করতে ঝাঁপিয়ে পড়ি মুক্তি সংগ্রামে। টানা নয় মাসের যুদ্ধে পৃথিবীর মানচিত্রে রচিত হয় বাংলা নামের স্বাধীন দেশ।
অনেক স্বপ্ন নিয়ে দেশ স্বাধীকার আন্দোলনে যোগ দিয়ে দেশটাকে আমাদের করে নিয়েছিলাম। যুদ্ধ জয়ের পর এদেশের রাজাকারদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা দেখে আমি মর্মাহত হয়েছিলাম। কিন্তু স্বাধীনতার এত বছর পরেও এদের বিচার হতে দেখে আমি সত্যি খুব আনন্দিত।
এমএএস/এমএস
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ ময়লার স্তূপে দাঁড়িয়ে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করলেন এনসিপি প্রার্থী
- ২ রাঙ্গামাটির দুর্গম কেন্দ্রে হেলিকপ্টারে গেলো ভোটের সরঞ্জাম
- ৩ আমরা সংস্কার চাই, সবাইকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাই: ফখরুল
- ৪ মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে নিহত শিশু হুজাইফার দাফন সম্পন্ন
- ৫ বিএনপি-আ’লীগ দুই দলই জাতীয় পার্টিকে দুর্বল করেছে