ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে মামলা

প্রকাশিত: ০৩:১৭ পিএম, ২৩ এপ্রিল ২০১৫

গত মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী উজ্জল মিয়ার (৩২) সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় শহরের পূর্বপাপাইকপাড়ায় বেশ কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে সন্ত্রাসীরা।

এ ঘটনায় সন্ত্রাসী উজ্জলের প্রশ্রয়দাতা হিসেবে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মাসুম বিল্লাহকে প্রধান আসামি করে তার ১২ সহযোগীর নাম উল্লেখ করে বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

হামলার শিকার শহরের পূর্ব পাইকপাড়ার বাসিন্দা গোলাম মুস্তফার স্ত্রী এলিজা বেগম বাদী হয়ে গত বুধবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় এই মামলা দায়ের করেন।

মামলার বাকি আসামিরা হলেন, মাসুম বিল্লাহর ছোট ভাই মাসুক বিল্লাহ (৩০), সাইদুল প্রকাশ টেলিসামাদ (২৫), শাকিল (২৫), শুভন সরকার (২৫), এনাম (২২), অনিক পাল (২২), সাইফুল (২২), পারভেজ (৩০), মোবারক (২২), সজল (২২), তনু (২২) ও হিমেল (২০)।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সন্ত্রাসী উজ্জলের ভয়ে পূর্বপাইকপাড়া ও মেড্ডা এলাকার বাসিন্দা সবসময় উদ্বিগ্ন থাকতেন। মামলার বাদীর ছেলে জিয়াউল আমিন জুয়েল এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় তাকে হেনস্থা করার জন্য আসামিরা ষড়যন্ত্র করে আসছিল। আসামিরা গত ২১ এপ্রিল রাত সাড়ে আটটার দিকে অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে বাদীর বাড়ির গেইটের কাছে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং পিস্তল দিয়ে গুলি করে বাসার গেইটের তালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর তারা বাসার ভেতরে থাকা বাদীর ছেলে রাহুলের মোটরসাইকেলটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়। পরে বাড়ির দোতলায় উঠে সমস্ত আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় আসামিরা এলিজা বেগমকে অস্ত্র ঠেকিয়ে আলমিরা খুলে নগদ আট লাখ টাকা ও ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার লুটে নেয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মাসুম বিল্লাহর মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকুল চন্দ্র বিশ্বাস মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ইতোমধ্যে মামলার আসামি সাইদুল প্রকাশ টেলিসামাদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।

এমএএস/আরআইপি