ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

দাফনের ১২ দিন পর ফিরলেন ব্যবসায়ী

প্রকাশিত: ০২:০২ পিএম, ৩০ এপ্রিল ২০১৫

সিদ্ধিরগঞ্জে অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের মরদেহ একজন ব্যবসায়ীর দাবি করে পরিবারের লোকজন দাফন করলেও ১২ দিন পর তাকে জীবিত পাওয়া গেছে। নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনের পাশের একটি স্থান থেকে ওই ব্যবসায়ীকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধারের পর বৃহস্পতিবার তাকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে হাজির করা হয়। বৃহস্পতিবার ওই আদালতে ব্যবসায়ীর দেয়া ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলেক খান জাগো নিউজকে জানান, ১৭ এপ্রিল জালকুড়ি এলাকার একটি বিল থেকে অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের (২৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারের লোকজন দাবি করেন ওই যুবকের নাম মহিনউদ্দিন কানন। সে সিদ্ধিরগঞ্জের বার্মা স্ট্যান্ড ভাঙারপুল এলাকায় মোটর পার্টস দোকানের মালিক।

মৃতদেহ উদ্ধারের পর এরই মধ্যে তার দোকানের কর্মচারি রুবেলকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তিনি জানান, মহিন উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ থানার শ্রীপুর এলাকায়। একই এলাকার আবু মিয়ার ছেলে রুবেল ও রিয়াজ। তাদের দুজনকে গ্রামের বাড়ি থেকে মহিন উদ্দিন সিদ্ধিরগঞ্জে এনে নিজ দোকানে চাকরি দেন। চাকরি করাকালীন সময় তারা দুই ভাই ঠিকমতো হিসেব দিতেন না। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায় সময় বাগবিতণ্ডা হতো। এর মধ্যে গ্রামের বাড়ি গিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে ২৩ মার্চ সিদ্ধিরগঞ্জের বাড়িতে ফেরেন মহিন উদ্দিন। স্ত্রীকে বাড়িতে রেখে ব্যবসার খোঁজ-খবর নিতে নিজ দোকানে আসলে নিখোঁজ হন তিনি।

গত ১৮ এপ্রিল রুবেলকে দোকান থেকে গ্রেফতার করে ২০ এপ্রিল আদালত থেকে এক দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে এসব তথ্য পায় পুলিশ। এসময় রুবেলের ছোট ভাই রিয়াজ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান। পরে রুবেল অপহরণের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তবে রুবেল খুনের কথা অস্বীকার করেন বলে পুলিশ জানায়।

এস আই আলেক খান আরো জানান, এরই মধ্যে ২৯ এপ্রিল নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনের কাছ থেকে মহিন উদ্দিন কাননকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেলে মহিন উদ্দিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদুজ্জামান শরীফের আদালতে এ জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এতে মহিন উদ্দিন কানন স্বীকার করেন, তাকে অপহরণের পর থেকে হাত-পা বেঁধে বিভিন্ন স্থানে আটকে রাখেন অপহরণকারীরা।

এমজেড/পিআর