আনসার কমান্ড্যান্টের কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর
শরীয়তপুরে আফজাল হোসেন সবুজ নামে এক ব্যবসায়ীকে জেলা আনসার ও ভিডিপি কমান্ড্যান্টের কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত ব্যবসায়ীকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
সোমবার সকাল ১০টার দিকে পালং উত্তর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পালং উত্তর বাজারে সবুজ টেলিকমের মালিক আফজাল হোসেন সবুজ।
আহত আফজাল হোসেন সবুজ শরীয়তপুর সদর পৌরসভার নিরালা আবাসিক এলাকার ফজলুল হকের ছেলে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত ঢাকা-শরীয়তপুর মহাসড়কে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা। এতে ঢাকা-শরীয়তপুর মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক ব্যাপারটি দেখবেন বলে আশ্বাস দিলে অবরোধ কর্মসূচি তুলে নেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা জানান, আফজাল হোসেন সবুজের দোকানের পাশেই তার গোডাউন। গোডাউনের পাশের সড়কে সেভেনআপের গাড়ি দাঁড় করানোর কারণে জেলা আনসার ও ভিডিপি কমান্ড্যান্ট কার্যালয়ের ব্যাটালিয়ান আনসার রাজ্জাক ওই ব্যবসায়ীকে জেলা কমান্ড্যান্টের কার্যালয় ডেকে নিয়ে যান।
সেখানে শরীয়তপুর জেলা আনসার ও ভিডিপি কমান্ড্যান্ট মো. সেলিমুজ্জামান ও ব্যাটালিয়ান আনসার রাজ্জাক মিলে আফসাল হোসেন সবুজকে মারধর করেন। সবুজ ঘটনাটি পালং বাজার বণিক সমিতি ও ব্যবসায়ীদের জানালে সোমবার সাড়ে ১০টা থেকে ঢাকা-শরীয়তপুর মহাসড়কে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।
এ ব্যাপারে পালং বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বেপারী বলেন, জেলা কমান্ড্যান্ট মো. সেলিমুজ্জামান অনেক খারাপ লোক। বিনা কারণে আমাদের ব্যবসায়ী সবুজকে মারধর করেছেন। এর আগে অটোচালকদের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা চেয়েছেন। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা তার বিরুদ্ধে মামলা করবো।
তবে এ ব্যাপারে জেলা কমান্ড্যান্ট মো. সেলিমুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
পালং মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খলিলুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় ব্যবসায়ীরা থানায় এসেছেন। এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি বলে তিনি জানান।
ছগির হোসেন/আরএআর/পিআর