ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ব্রিজের ৬২টি লাইটের ৪৭টি অকেজো

প্রকাশিত: ১২:০০ পিএম, ০৮ মে ২০১৭

বাংলার সুয়েজ খালখ্যাত গাবখান নদীর ওপর নির্মিত হয় পঞ্চম চীন মৈত্রী সেতু। সেতুর ওপর দুর্ঘটনা এড়াতে এবং চলাচলকারীদের সুবিধার্থে ৬২টি লাইট পোস্ট স্থাপন করা হয়।

বর্তমানে সেই ৬২টি লাইট পোস্টের ৪৭টি অকেজো রয়েছে এবং সচল রয়েছে ১৫টি। যা এক চতুর্থাংশের চেয়েও কম। এ বিষয়ে গত ফেব্রুয়ারি মাসে একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হলেও টনক নড়েনি কর্তৃপক্ষের। 

ঝালকাঠি সড়ক ও জনপদ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সেতুটির দৈর্ঘ্য ৯১৮ মিটার, দীর্ঘতম স্প্যান রয়েছে ১১৬. ২০ মিটার (যা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ), নিম্নতম স্প্যান রয়েছে ৩০ মিটার, ২৪ টি পিলার ও ২ টি অ্যাবাটমেন্ট রয়েছে।

এছাড়া ক্যারেজওয়ে রয়েছে ৭.৫০ মিটার। প্রতি পাশে সাইড ওয়াক রয়েছে ১.২৫ মিটার। ১.৫০ মিটার ব্যাসের কাস্ট ইন সিটু বোর্ডের পাইল (অবস্থান ভেদে ২টি থেকে ৯টি পর্যন্ত) ভিত্তি রয়েছে।

পাশাপাশি ভার্টিক্যাল কিলয়ারেন্স রয়েছে ১৮ মিটার। হরাইজন্টোল নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স রয়েছে ৭৬.২২ মিটার। ৮১ কোটি ৯৫ লাখ ৮২ হাজার টাকা ব্যয়ে এ সেতু নির্মাণ করা হয়েছে।

‘চায়না হিলোংজিয়াং ইন্টারন্যাশনাল ইকনোমিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল কর্পোরেশন’ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ সেতু নির্মাণ করে। ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতু নির্মাণের ভিত্তি ফলক উন্মোচন করে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। ২০০২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

নিয়মিত চলাচলকারী ও স্থানীয়রা জানায়, ব্রিজ উদ্বোধনের ১৫ বছর যেতে না যেতেই বাতিগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। সন্ধ্যা হলেই ব্রিজের ওপর নেমে আসে অন্ধকার। যাতে প্রায় সময়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

ঝালকাঠি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. নাবিল হোসেন জানান, ব্রিজের বাতিগুলোর বেশির ভাগই নষ্ট হয়ে গেছে। ওখানে ৬২টি লাইট পোস্টের ১৫টি সচল রয়েছে।

টোল আদায়কারী প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেয়ার সময় বাতি পুনঃস্থাপনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে লিখিতভাবে বাতি স্থাপনের জন্য বলা হয়েছে। ব্যস্ততার কারণে খোঁজখবর নেয়া হয়নি। পুনরায় ইজারাদারকে চিঠির মাধ্যমে অবহিত করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে টোল ইজারাদার মাহবুব হোসেন বলেন, কয়েকটি বাতি নষ্ট হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই বাতি স্থাপন করা হবে।

মো. আতিকুর রহমান/এএম/এমএস