ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ওসির বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ

প্রকাশিত: ০২:২৪ পিএম, ১০ মে ২০১৭

৭০ হাজার টাকা ঘুষ না দেয়ায় আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগে বরগুনার তালতলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমলেশ চন্দ্র হালদারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনটি করেন তালতলীর উপজেলার বড়ভাইজোড়া গ্রামের মৃত মো. আবুল কাশের হাওলাদারের ছেলে মো. জামাল হোসেন।

লিখিত বক্তব্যে মো. জামাল হোসেন বলেন, আমার বাবা মৃত্য আবুল কাশেম হাওলাদার ৭০ বছর আগে বড়ভাইজোড়া গ্রামে জমি ক্রয় করে ঘর নির্মাণ করে বসবাস করেন।

বাবার মৃত্যুর পর একই উপজেলার ঝাড়াখালী গ্রামের মৃত হযরত আলীর ছেলে আ. আজিজ ১৯৬৩ সালের একটি জাল দলিল করে আমাদের ভোগ দখলীয় জমি জোরপূর্বক দখলের পাঁয়তারা করেন।

মো. জামাল হোসেন বলেন, সম্প্রতি আমরা আমাদের বসতবাড়ির গাছ কাটলে আ. আজিজ জাল দলিল দিয়ে আমিসহ আমার ২০ জন আত্মীয়ের নামে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। যার তদন্ত ভার দেয়া হয় তালতলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমলেশ চন্দ হালদারের কাছে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, আমরা ওই জমির গাছ ও মাটি কেটেছি। অথচ এসব জমি আবাদি জমি। এ জমিতে কখনও গাছ ছিল না।

ওই জমির মাটি আমরা কাটিনি জানিয়ে মো. হোসেন অভিযোগ করে বলেন, মামলার তদন্ত ভার পাওয়ার পরপরই ওসি কমলেশ চন্দ্র হালদার আমাদের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নেন।

পরবর্তীতে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের সময় আমাদের কাছে আরও ৭০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন ওসি কমলেশ চন্দ্র হালদার।

এ ঘুষের টাকা দিতে আমারা অপারগতা প্রকাশ করলে ওসি মামলার বাদীর কাছ থেকে উৎকোচ নিয়ে সরেজমিনে তদন্ত না করেই আদালতে মিথ্যে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এর প্রেক্ষিতে আদালত আমিসহ আমার ছয়জন নিকট আত্মীয়ের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। এ সময় তিনি এ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিকার দাবি করেন।

এ বিষয়ে মামলার বাদীর আ. আজিজ বলেন, তার দলিলটি জাল নয়। তালতলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমলেশ চন্দ্র হালদারকে তিনি কোনো উৎকোচ দেননি জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমি এই জমি ভোগদখল করে আসছি।

তদন্তের সময় মামলার বিবাদীদের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহণের বিষয়টি অস্বীকার করে তালতলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমলেশ চন্দ্র হালদার বলেন, আমি মামলার বিবাদীদের কাছে কোনো টাকা চাইনি এবং টাকা পয়সা সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে তাদের সঙ্গে কথা হয়নি।

তিনি বলেন, তদন্তের সময় আমি যেসব তথ্য পেয়েছি, সেগুলো প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছি এবং আদালতে দাখিল করেছি। মামলার বাদীর কাছ থেকেও কোনো ধরনের সুবিধা নেইনি।

মোঃ সাইফুল ইসলাম মিরাজ/এএম/এমএস