ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ছাত্র অপহরণের ঘটনায় পিরোজপুরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আতঙ্কে

প্রকাশিত: ০১:৪৫ পিএম, ১১ মে ২০১৫

অপহরণের ১০ ঘণ্টা পরে উদ্ধারকৃত সাদবিন নাসির (১০) এর ঘটনায় পিরোজপুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে দুপুরের টিফিন বিরতির সময় স্কুল থেকে বাইরে যাবার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

পিরোজপুর সদর থানা সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুর ১২টার দিকে শহরের করিমুন্নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র সাদবিন নাসিরকে অপরিচিত এক লোক ক্লাশে ঢুকে তার মা ডেকেছে বলে বাইরে নিয়ে যায়। সেখানে অপেক্ষমান কালোগ্লাসের মাইক্রোতে তুলে বাগেরহাটের দিকে নিয়ে যায়। পথিমধ্যে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বাধাল বাজারে মাইক্রোবাস থামিয়ে গাড়িতে থাকা চারজন অপহরণকারীদের মধ্যে তিনজন রুটি কিনতে গেলে সাদ আচমকা গাড়ির জানালা খুলে লাফিয়ে পার্শবর্তী ঝোপে লুকিয়ে থাকে। পরে অপহরণকারীরা খুঁজে না পেয়ে চলে যায়। স্থানীয় বাজারের লোকজন কচুয়া থানায় সংবাদ দিলে থানা পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় সাদ ওই মাইক্রোতে চারজন অপহরণকারী ছাড়াও আরও চারটি শিশুকে মুখে টেপ লাগানো অবস্থায় ছিলো বলে কচুয়া থানার ওসি শেখ সমশের আলীকে জানায়। তাৎক্ষণিক ভাবে কচুয়া থানা কর্তৃপক্ষ পিরোজপুর থানায় জানালে এ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা রাত ১০টায় পিরোজপুর থানায় নিয়ে আসে। রোববার দিবাগত রাতেই পিরোজপুরের পুলিশ সুপারসহ জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শিশু ও তার মাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে ওই রাতে সাদের মা শাহানা নাসির অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে অপহরণ মামলা দায়ের করেছে বলে ওসি জানান।

এ বিষয়ে পিরোজপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. রাজ্জাক মোল্লা বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে সব কিছু বলা যাবে। তবে আর চারজন কোথাকার? আদৌ ছিলো কি-না এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

হাসান মামুন/এমএএস/আরআই