ভিডিও EN
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

‘মোরা’র আঘাতে রাঙামাটিতে তিন শতাধিক স্থাপনা বিধ্বস্ত

প্রকাশিত: ০১:৫৬ পিএম, ৩১ মে ২০১৭

ঘূর্ণিঝড় মোরার ছোবলে লণ্ডভণ্ড হয়েছে শহরসহ গোটা রাঙামাটি জেলা। এতে বসতবাড়ি, বিভিন্ন স্থাপনা, ফসলি জমিসহ বিস্তর ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। শুধু শহর এলাকায় তিন শতাধিক বসতবঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা বিধ্বস্ত হয় বলে জেলা প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর প্রায় ১২টা পর্যন্ত রাঙামাটিতে আঘাত হানে মোরা। তিন ঘণ্টাব্যাপী তাণ্ডবে শহরে দুই নারীর মৃত্যুসহ জেলায় কয়েক হাজার বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এছাড়া ধ্বংস হয়ে গেছে বিস্তীর্ণ ধানখেত, ফসলি জমি ও ফলের বাগান। ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনার। রাস্তার ওপর গাছ ভেঙে ও উপড়ে পড়ায় বিভিন্ন সড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। এখনও চলাচলে স্বাভাবিক হয়ে ওঠেনি জেলার অনেক সড়ক ও জনপথ। স্বাভাবিক হয়নি বিচ্ছিন্ন হওয়া বৈদ্যুতিক সংযোগ। দুর্দশাগ্রস্ত লোকজনের চরম দুর্গতি বেড়েছে। অনেকে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিনাতিপাত করছেন।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে ঘরের ওপর গাছচাপায় শহরের ভেদভেদী এলাকার বাসিন্দা মো. আবু ছিদ্দিকের মেয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রী জাহিদা সুলতানা মাহিমা (১৪) এবং আসামবস্তির বাসিন্দা মো. আবু তাহেরের স্ত্রী হাজেরা বেগম (৪৫) নিহত হন। বুধবার তাদের উভয়ের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. মানজারুল মান্নান।

ঘূর্ণিঝড় মোরার আঘাতে জেলায় ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে শহরসহ জেলায় বিস্তর ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তালিকা এখনও পাওয়া যায়নি। শহর এলাকায় তিন শতাধিক বসতবাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তালিকা নিরুপণের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সুশীল প্রসাদ চাকমা/এএম/আরআইপি