ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

তালতলী কলেজ অধ্যক্ষকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

প্রকাশিত: ০২:০২ পিএম, ০১ জুন ২০১৭

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে গাফিলতির কারণে বরগুনার তালতলী উপজেলার তালতলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশীদ খানকে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক বৈজয়ন্ত বিশ্বাস এ আদেশ দেন। এ সময় তালতলী কলেজের অধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশীদ খান আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৩ নভেম্বর সাপ্তাহিক অপরাধ বিচিত্রা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক  এস এম মোর্শেদের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে তালতলী উপজেলার নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মো. খলিলুর রহমান একটি মামলা করেন।

মামলার বাদীর পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, মামলার পর আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশ দেন।

পরে ২০১৬ সালের ১১ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের আবেদন করেন বাদী খলিলুর রহমান। বাদীর আবেদনের মঞ্জুর করে আদলতের বিচারক তালতলী ডিগ্রি অধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশীদ খানকে ঘটনার তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন।

এরপর মামলার ছয় কার্যদিবস অতিবাহিত হলেও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেননি এবং আদালতের কাছে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময়ও চেয়েও আবদেন করেননি তিনি।

অ্যাডভোকেট মো. দেলোয়ার হোসেন আরও বলেন, বৃহস্পতিবার মামলার ধার্য তারিখে বিচারক বৈজয়ন্ত বিশ্বাস আদালতের নির্দেশ অমান্য করারা দায়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারা অধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশীদ খানকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

এ সময় আদালত তালতলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অধ্যক্ষ হারুন অর রশীদ খানকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন বলেন জানান অ্যাডভোকেট মো. দেলোয়ার হোসেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত তালতলী কলেজের অধ্যক্ষ মো. হারুন অর রশীদ খানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

মো. সাইফুল ইসলাম মিরাজ/এএম