ঠাকুরগাঁওয়ে বন্যা, সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চায় প্রশাসন
ঠাকুরগাঁওয়ে বন্যা কবলিত মানুষকে উদ্ধার করতে রংপুর সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছেন জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল জানান।
এদিকে গত দুই দিনের অবিরাম ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে তলিয়ে গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের ৫ উপজেলার কয়েক হাজার ঘর-বাড়ি ও ব্রিজ কালভার্ট। বন্যায় ফসল, গবাদি পশুসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে বিপাকে পড়েছেন লক্ষাধিক মানুষ।
শনিবার ভোর থেকে হঠাৎ প্রবল বৃষ্টির কারণে প্লাবিত ঘর-বাড়িতে প্রায় ৩ শতাধিক মানুষ আটকা পড়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত শতাধিক মানুষকে উদ্ধার করেছেন বলে প্রশাসন জানিয়েছে।
প্লাবিত বাড়িতে আটকাপড়া মানুষকে উদ্ধারে এখনও কাজ অব্যাহত রেখেছেন তারা।

অনেকে ঘর-বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য জেলা শিল্পকলা একাডেমী, সরকারি কলেজ, সিএম আইয়ুব বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্নস্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। অনেকে রাস্তার পাশে গবাদি পশুসহ আশ্রয় নিয়েছেন।
শহরের প্লাবিত অঞ্চলগুলো হচ্ছে, হঠাৎপাড়া, ডিসি বস্তি, সরকার পাড়া ও খালপাড়া, সদর উপজেলার আকচা, রায়পুর, মোহাম্মদপুর, সালন্দর, শুকানপুকুরী ও বালিয়াডাঙ্গী ও রাণীংশকৈল উপজেলার আশেপাশের অনেক এলাকার বাড়ি-ঘর এখন পানির নিচে।

জেলার বিভিন্ন নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টাঙ্গন নদীর পানি বিপদসীমার ৪০ মিলিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল জানান, গত দুই দিনের ভারি বর্ষণে জেলার প্রায় ৩০০ ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানুষগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার জন্য প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে। বাকিদের উদ্ধারের জন্য সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। বর্তমানে দূগর্তদের জেলায় প্রায় শতাধিক আশ্রয় কেন্দ্রে থাকার জায়গা ও ত্রাণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
রবিউল এহসান রিপন/এমএএস/জেআইএম
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ বাঞ্ছারামপুর ইউএনও ফেরদৌস আরার ইন্তেকাল
- ২ ছয় বছরেই ব্যবহার অনুপযোগী দুই গুচ্ছগ্রামের শত পরিবারের বাসস্থান
- ৩ শিশির মনিরের নির্বাচনি সভায় বক্তব্য দিলেন সাবেক আ’লীগ নেতা
- ৪ স্ত্রীর স্বীকৃতি দাবিতে সন্তানদের নিয়ে ইউপি সদস্যের বাড়িতে ২ নারী
- ৫ আপিলেও ফেরেনি বিএনপির আইয়ুবের প্রার্থিতা, বৈধ হয়েছে ছেলের মনোনয়ন