ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

যশোরে ৪ উপজেলার ১১ নারী সদস্য নির্বাচিত

প্রকাশিত: ০৭:০৭ এএম, ১৬ জুন ২০১৫

যশোরে উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য পদের নির্বাচন সোমবার শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।  এতে যশোর জেলার ৪ উপজেলার ১৪০ জন ভোটার ভোট দিয়ে ১১ জন সদস্যকে নির্বাচিত করেছেন।  এর আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২১ জন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

যশোর জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র মতে, জেলার ৪ উপজেলায় ১১টি আসনে ২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।  সোমবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ২টা পর্যন্ত স্ব স্ব উপজেলা নির্বাচন অফিসে ভোটগ্রহণ চলে।  ১৪৭ জন ভোটারের মধ্যে ১৪০ জন ভোটার শান্তিপূর্ণভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।  ১৫টি ভোট বাতিল হয়েছে।  ভোট গণনা শেষে ১১ জনকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।  সোমবার যেসব আসনে নির্বাচন হয়েছে তার মধ্যে মণিরামপুর উপজেলার ৫টি, অভয়নগরের ৩টি, বাঘারপাড়ার ২টি এবং ঝিকরগাছা উপজেলার ১টি আসন রয়েছে।

মণিরামপুর-১ আসনে (রোহিতা, কাশিমনগর ও খেদাপাড়া ইউনিয়ন) ৫৪ ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ৫৩টি।  এরমধ্যে ৪টি ভোট বাতিল হয়েছে।  এ আসনে নুরুন্নাহার ছিদ্দিকী ২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারি নির্বাচিত হয়েছেন।  তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছকিনা খাতুন পেয়েছেন ২০ ভোট।

মণিরামপুর-২ আসনে (ভোজগাতি, মণিরামপুর ইউনিয়ন ও মণিরামপুর পৌরসভা) ৫৪ ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ৫৩টি।  এখানে বাতিল ভোটের সংখ্যা ৭টি।  এ আসনের হাসিনা বানু ২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।  তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী অনিমা মিত্র পেয়েছেন ১৭ ভোট।

মণিরামপুর-৩ আসনে (হরিহরনগর, ঝাঁপা ও মশ্মিমনগর ইউনিয়ন) ভোটার সংখ্যা ৫৪।  এখানেও ৫৩ ভোট পড়েছে।  বাতিল হয়েছে ৪টি ভোট।  এখানে আবেদা খাতুন ৩০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।  তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী পারভিনা বেগম পেয়েছেন ১৯ ভোট।

মণিরামপুর-৪ আসনেও (হরিদাসকাটি, ঢাকুরিয়া ও কুলটিয়া ইউনিয়ন) ৫৪ ভোটের মধ্যে পড়েছে ৫৩ ভোট।  এখানেও বাতিল হয়েছে ৪ ভোট।  শাহিদা খাতুন ২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।  তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী সেলিনা আক্তার পেয়েছেন ২২ ভোট।

মণিরামপুর-৫ আসনে (চালুয়াহাটি ও শ্যামকুড় ইউনিয়ন) ৫৪ ভোটের মধ্যে ৫৩ ভোট পড়েছে।  এখানেও ৪টি ভোট বাতিল হয়েছে।  এখানে ডলি বেগম ৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।  তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী মিনি রানী বসু পেয়েছেন ১৮ ভোট।

অভয়নগর-১ আসনে (প্রেমবাগ, সুন্দলী ও চলিশিয়া ইউনিয়ন) ২৭ জন ভোটারের মধ্যে সকলেই ভোট দিয়েছেন।  এখানে ৬টি ভোট বাতিল হয়েছে। রাফেজা বেগম ৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।  তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফাতেমা বেগম পেয়েছেন ৮ ভোট এবং অপর প্রতিদ্বন্দ্বী মাফুজা বেগম পেয়েছেন ৪ ভোট।

অভয়নগর-২ আসনে (পায়রা, শ্রীধরপুর ইউনিয়ন ও নওয়াপাড়া পৌরসভা) ২৭ ভোটারের সকলেই ভোট দিয়েছেন।  এখানে বাতিল হয়েছে ২ ভোট। এখানে জাহানারা বেগম ১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।  একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী  মরিয়ম বেগম পেয়েছেন ৮ ভোট।

অভয়নগর-৩ আসনে (বাঘুটিয়া, শুভয়াড়া ও সিদ্ধিপাশা ইউনিয়ন) ২৭ ভোটারের সকলেই ভোট দিয়েছেন।  এখানে ৪টি ভোট বাতিল হয়েছে।  এখানে রেহেনা বেগম ১৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।  একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছায়া রানী বিশ্বাস পেয়েছেন ৮ ভোট।  বাঘারপাড়া-১ আসনে (জহুরপুর, বন্দবিলা ও রায়পুর ইউনিয়ন) মোট ভোটার ছিল ৩০।  তার মধ্যে ভোট পড়েছে ২৪টি।  এখানে ৬টি ভোট বাতিল হয়েছে।  এখানে অনিমা রানী মণ্ডল ১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।  তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী হোসনে আরা পেয়েছেন ৫ ভোট।

বাঘারপাড়া-৩ আসনে (নারিকেলবাড়ীয়া, দোহাকুল, দরাজহাট ইউনিয়ন ও বাঘারপাড়া পৌরসভা) মোট ভোটার ছিল ৩০ জন।  ভোট পড়েছে ২৪টি।  তার মধ্যে বাতিল হয়েছে ৬টি।  এখানে লাকী বেগম ১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী ও রেক্সনা কোনো ভোট পাননি।

ঝিকরগাছা-২ আসনে (পানিসারা, ঝিকরগাছা ইউনিয়ন ও ঝিকরগাছা পৌরসভা) মোট ৩৬ ভোটারের মধ্যে সকলেই ভোট দিয়েছেন।  এখানে ভোট বাতিল হয়েছে ৩টি।  এ আসনে ২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নাছিমা খাতুন আর ঝরনা খাতুন ৯ ভোট পেয়ে হেরে গেছেন।

উল্লেখ্য, এ নির্বাচনে শুধুমাত্র ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত মহিলা মেম্বর ও পৌরসভার নির্বাচিত মহিলা কাউন্সিলররা ভোট দিয়ে তাদের মধ্য থেকেই প্রতিনিধি নির্বাচন করেছেন।

মিলন রহমান/এমজেড/আরআইপি