ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি | নেত্রকোনা | প্রকাশিত: ১২:৫৭ পিএম, ০১ অক্টোবর ২০১৭

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় ৫৬টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার জন্য মোট ৪৩৬ জন আনসার সদস্য নিয়োগ দেয়ার কাজে অবৈধ অর্থ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক কর্মকর্তা বিরুদ্ধে। দুর্গাপুরে ২০ জন পিসি, ৫৬ জন এপিসি ও ৩৬০ জন আনসার ভিডিপি সদস্যকে নিয়োগ দেয়া হয়।

রোববার মহরমের সরকারি ছুটি থাকার পরও দুর্গাপুর উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা হালিমা খাতুন তড়িগড়ি করে পূজার ডিউটি ভাতা পরিশোধের উদ্যোগ নিয়ে ভাতা দেয়া শুরু করেন।

আনসার সদস্যরা জানান, পূজার ডিউটির নিয়োগের সময় তাদের কাছ থেকে ৫০০ করে টাকা নেয়া হয়েছে। সেই টাকা ফেরতের দাবি করলে, উপজেলা চত্বরে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।

আনসার ভিডিপি সদস্য পৌর শহরের দক্ষিণপাড়া গ্রামের মালা বেগম, মধ্যমবাগানের জরিনা খাতুন, চরমুক্তার পাড়ার সুর মাহামুদ, কৃষ্ণের চরের বাবুল মিয়া, পশ্চিম বিলাশপুরের আবু সিদ্দিক, কেরনখোলা গ্রামের আ. কাদিরসহ কয়েকজন জাগো নিউজকে বলেন, আমরা ৪ জনের গ্রুপের ৮টি দল থেকে ৪০০ টাকা করে, ছয়জনের গ্রুপের ২৮টি দল থেকে ১ হাজার টাকা করে, ৮ জন গ্রুপের ২০টি দল থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা করে তুলে কর্মকর্তাকে দিয়েছি।

আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা হালিমা খাতুন জাগো নিউজকে বলেন, আমি এদেরকে কোনোভাবেই কন্ট্রোল করতে পারছি না। আমি কোনো টাকা নেইনি। আমাকে বিপদে ফেলার জন্য এ মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমি রাগে এদেরকে বলেছি যারা এই অর্থ দুর্নীতির কথা বলেছে তাদেরকে আমি দেখে নেব। আমি কর্তব্যরত আনসার ভিডিপি সদস্যদের ৫ দিনের বেতন ভাতা বাবদ প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করেছি। কোনো সদস্য নিয়োগের ব্যাপারে কাউকে কোনো টাকা দিয়ে থাকলে অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ সময় দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামনুর রশীদ উপস্থিত হয়ে আনসারদের নিয়োগে অনিয়মের কথা শুনেন এবং তিনি বলেন, আমার পিসি ও এপিসিরা এ রকম কাজ করতে পারে, না শুনলে বুঝতে পারতাম না। তবে এ ব্যাপারে আমাকে কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি।

কামাল হোসাইন/এএম/জেআইএম