ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা : সুষ্ঠু তদন্তের দাবি

জেলা প্রতিনিধি | পঞ্চগড় | প্রকাশিত: ১২:২৫ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০১৭

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ধর্ষণের ভিডিও ফেসবুকে প্রচারের হুমকিতে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত আলোচিত মামলার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহত সোনিয়ার পরিবার।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনিয়ার বাড়িতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সোনিয়ার দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ঘটনার শুরু থেকে পুলিশের কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। তড়িঘড়ি করে ইউডি (অপমৃত্যু) মামলা নথিভুক্ত করে নিয়োমিত মামলা নিতে ৪ দিন দেরি করেছে। রিমান্ডে নিয়ে ধর্ষণের ভিডিও ফুটেজ অথবা অভিযুক্ত ধর্ষকদের মোবাইল রেকর্ড উদ্ধারের কোনো তৎপরতা নেই। সব মিলিয়ে মামলাটির তদন্ত সুষ্ঠু হবে কি না এ নিয়ে শঙ্কিত সোনিয়ার পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে সোনিয়ার মা সেলিনা আক্তার, বাবা জাহেরুল হক, দাদা, আব্দুল হান্নান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার কাজী মাহাবুবুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়াসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে তেঁতুলিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরেশ চন্দ্র বলেন, রিমান্ডে যথাযথ জ্ঞিাসাবাদ এবং সুষ্ঠুভাবেই মামলাটির তদন্ত কাজ চলছে। তবে আমাদের উপর আস্থা না থাকলে অন্য কোনো সংস্থা দিয়ে তদন্ত করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আমরা সেই তদন্তে শতভাগ সহায়তা করব।

প্রসঙ্গত, তেঁতুলিয়ার অভিযুক্ত ধর্ষক মনসুর আলী রাজন ও আতিকুজ্জামান আতিক তিন মাস আগে সোনিয়াকে ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণ চিত্র ভিডিও করে রাখে। রাজন তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ওয়ার্ডবয় এবং আতিক একটি মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানির স্থানীয় এজেন্ট। তারা ধর্ষণের ভিডিও ফুটেজ ফেসবুকে প্রচারের হুমকি দেখিয়ে দফায় দফায় ধর্ষণ করে সোনিয়াকে। তাদের অব্যাহত হুমকিতে ১০ অক্টোবর আত্মহত্যা করে সোনিয়া।

সোনিয়ার পরিবার অভিযুক্ত দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে মামলা নিতে টালবাহানা শুরু করে পুলিশ। অবশেষে ঘটনার ৪ দিন পর ১৪ অক্টোবর সোনিয়ার মা সেলিনা আক্তার বাদী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯এর ‘ক’ ধারায় একটি মামলা করেন।

সফিকুল আলম/এফএ/পিআর

আরও পড়ুন