ভিডিও EN
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

আর্সেনিকযুক্ত পানিই ভরসা

জেলা প্রতিনিধি | মেহেরপুর | প্রকাশিত: ০৭:৩৪ এএম, ২৮ অক্টোবর ২০১৭

মেহেরপুরে ১১০টি প্রাথমিক ও ৩৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের টিউবয়েলে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিকের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এর মধ্যে মাত্র ৫৩টি বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থ্য করা গেলেও বাকি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে পান করছে আর্সেনিকযুক্ত পানি।

শিক্ষকদের দাবি বারবার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলকে অবহিত করেও কোনো প্রতিকার মিলছে না। শিশু বিশেষজ্ঞরা বলছেন শিশুরা দীর্ঘদিন ধরে এ পানি পান করলে চামড়া, কিডনি, লিভারসহ মস্তিস্কের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এ বিষয়ে মেহেরপুর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল কবীর ভুইঞা ভাষ্য, বিভিন্ন পজেক্টের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা চলছে। তবে প্রজেক্ট না থাকায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আর্সেনিকমুক্ত পানির ব্যবস্থা করতে পারছেন না।

jagonews24

মেহেরপুরের বিভিন্ন গ্রামের পর এবার বিদ্যালয়গুলোতে মিলেছে আর্সেনিকের আধিক্য। লাল চিহ্নিত টিউবয়েলে পানি পান করা নিষেধ থাকলেও বাধ্য হয়েই শিশুদের পান করতে হচ্ছে আর্সেনিকযুক্ত পানি। কারণ জেলার ১২০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৫টি ও ৩০৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১১০টিতে মিলেছে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক।

কোনো কোনো বিদ্যালয় বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে আর্সেনিকমুক্ত পানির ব্যবস্থা করলেও টিউবয়েলগুলো বিকল হয়ে পড়ে আছে। ফলে জেনেশুনেও তাদের বিষ পান করতে হচ্ছে। কারণ আশপাশের বাড়ির টিউবয়েলেও রয়েছে আর্সেনিকের অস্তিত্ব। অনেকেই বাড়িতে বিশুদ্ধ পানি পান করলেও বিদ্যালয়ে এসে আর্সেনিকযুক্ত পানি পান করতে হচ্ছে। ফলে আর্সেনিক থেকে রেহাই পাচ্ছে না তারা।

মেহেরপুুর জয়পুর তারানগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আজিজুল হক জানান, অনেক চেষ্টা করেও তারা নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করতে পারছেন না। কর্তৃপক্ষকে বারবার জানিয়ে কোন কাজ হচ্ছে না।

jagonews24

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. এহসানুল কবীর জানান, বড়দের থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় শিশুদের জন্য নিরাপদ পানি অত্যাবশ্যকীয়। দীর্ঘদিন ধরে আর্সেনিকযুক্ত পানি পান করলে ধারাবাহিকভাবে চামড়া, কিডনি, লিভারের ক্ষতি হতে পারে। এমনকি আঘাত হানতে পারে মস্তিস্কে।

আসিফ ইকবাল/এফএ/আরআইপি

আরও পড়ুন