ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

জব্দ ইলিশ গোপনে বিক্রি করছে পুলিশ!

জেলা প্রতিনিধি | মাদারীপুর | প্রকাশিত: ১০:৩২ এএম, ০২ নভেম্বর ২০১৭

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ডাসার থানা পুলিশের বিরুদ্ধে জব্দকৃত ইলিশ ভোর রাতে গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

এ সময় ইলিশ মাছের সঙ্গে থাকা হাফিজ নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাথুরিয়ারপার থেকে এ ২০ কার্টন ইলিশ জব্দ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাটকা ইলিশ সন্দেহে ডাসার থানার এএসআই ইয়ার মাহামুদ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কাজীবাকাই এলাকার পাথুরিয়ারপাড় বাসস্ট্যান্ড থেকে বগুড়ামুখী বাসভর্তি ২০ কার্টন ইলিশ জব্দ করে।

জব্দকৃত এসব ইলিশ ওই দিন রাতেই ডাসার থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় বহনকারী বাসের সুপারভাইজার হাফিজকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার ভোর রাতে এএসআই ইয়ার মাহামুদ থানায় বসে কামরুল নামের এক মাছ ব্যবসায়ীর কাছে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময় গোপনে কিছু ইলিশ বিক্রি করে দেন। সেই সঙ্গে আরও কিছু ইলিশ ভ্যানযোগে মস্তফাপুর বাজারে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী মিন্টু চৌধুরী ও ছত্তারসহ বেশ কয়েকজন বলেন, ডাসার থানা পুলিশ ভোর রাতে গোপনে জব্দকৃত জাটকা ইলিশ মস্তফাপুর বাজারে বিক্রি করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত এএসআই ইয়ার মাহামুদ বলেন, একজন প্রতিনিধি থানায় আসছিল তাকে কিছু মাছ দিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে মাছ বিক্রি করা হয়েছে এ ঘটনা মিথ্যা।

এ নিয়ে ডাসার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমদাদুল হক বলেন, এ মাছ বিভিন্ন এতিম খানায় বণ্টন করে দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ হাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় একজনকে জরিমানা করা হয়েছে। জব্দকৃত ইলিশ এতিমদের মধ্যে বণ্টন করার জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছি। তবে এ মাছ বিক্রির ঘটনায় বালীগ্রাম ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আমার কাছে মৌখিক অভিযোগ করেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এ কে এম নাসিরুল হক/এএম/আইআই